kalerkantho

শনিবার । ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১২ জুন ২০২১। ৩০ শাওয়াল ১৪৪২

সেই অসহায় মনোয়ারাকে ঘর বরাদ্ধ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

'আল্লাহ তুমি শেখ হাসিনারে অনেক হায়াত দেও'

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ   

২৯ মার্চ, ২০২১ ১৮:২৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'আল্লাহ তুমি শেখ হাসিনারে অনেক হায়াত দেও'

ঘর নেই, সরকারি কোনো ধরনের সুবিধাও নেই। এমনাবস্থায় খেয়ে না খেয়ে নিজ ঘরেই মরতে বসেছিলেন মনোয়ারা বেগম (৮৩)। এ খবর পেয়ে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ইউএনও এরশাদ উদ্দিন তার অফিসে ডেকে নিয়ে অল্পসময়েই বয়স্ক ভাতার ব্যবস্থা ছাড়াও নগদ অর্থ দেন। এ নিয়ে গত ২১ মার্চ কালের কণ্ঠে '২৪ বছরে হয়নি, ২৫ মিনিটেই করলেন ইউএনও!'এমন শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ হলে দৃষ্টি পড়ে প্রধানমন্ত্রীর। তিনি পরদিন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর প্রকল্প পরিচালকেকে কালের কণ্ঠের উদ্ধৃতি দিয়ে নির্দেশ দেন ওই অসহায় বৃদ্ধের দায়িত্ব নেওয়ার। এ অবস্থায় সপ্তাহ যেতে না যেতেই সোমবার ঘর বরাদ্দের চিঠি আসে নান্দালের ইউএনওর কাছে।

ইউএনও এরশাদ উদ্দিন এ প্রতিনিধিসহ স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিককে সাথে নিয়ে ওই বৃদ্ধার বাড়ি নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও ইউনিয়নের শিবনগর গ্রামে যান। সেখানে মনোয়ারা বেগমের কাছে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নতুন ঘর বরাদ্ধের সুখবরটি দেন। সেই সাথে জরাজীর্ণ ঘরে ভেঙে সেই জায়গাতেই আধাপাকা নতুন ঘর নির্মাণের জন্য বলেন।

ইউএনও এরশাদ উদ্দিন জানান, প্রধানমন্ত্রী চাচ্ছেন আসছে রোজা ঈদের আগেই ওই বৃদ্ধাকে নতুন ঘরে উঠিয়ে দিতে। যাতে নতুন ঘরে থেকেই ঈদ করতে পারেন। এ ধরনের খবরটি জানতে পেরে গত কয়েকদিন ধরে জ্বরে আক্রান্ত মনোয়ারা আনন্দে কেঁদে ফেলেন।

বলেন, এইডা কি আমি স্বপ্ন দেখছি। আমি নতুন ঘর পাইয়াম-হেই ঘরে আমি থাকবাম। আল্লাহ তুমি শেখ হাসিনারে অনেক হায়াত দেও। অহন আমি মইর‌্যাও শান্তি পাইয়াম।

ইউএনও এরশাদ উদ্দিন বলেন, ওই বৃদ্ধার সকল খোঁজখবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এই খোঁজ-খবরের ফল নতুন একটি ঘর বরাদ্ধ। আমি এই অসহায় নারীর জন্য কিছু করতে পেরে নিজেকে খুবই ধন্য মনে করছি। তা ছাড়া আমার একটি কাজ কালের কণ্ঠের মাধ্যমে এভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নজরে পড়বে তা ভাবতে পারিনি। আমি কালের কণ্ঠকে ধন্যবাদ জানাই।



সাতদিনের সেরা