kalerkantho

রবিবার । ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৩ জুন ২০২১। ১ জিলকদ ১৪৪২

হেফাজত বিএনপির 'বি টিম' হয়ে কাজ করছে : চিফ হুইপ

শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি   

২৯ মার্চ, ২০২১ ১৮:০৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



হেফাজত বিএনপির 'বি টিম' হয়ে কাজ করছে : চিফ হুইপ

চিফ হুইপ ও আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সাধারণ সম্পাদক নূর-ই-আলম চৌধুরী বলেছেন, আন্দোলন করেন আপনারা আর গাড়িতে আগুন দেওয়ার হুকুম দেয় বিএনপি। আর এতেই প্রমাণ হয়, এরা বিএনপির 'বি টিম' হয়ে কাজ করছে।

আজ সোমবার দুপুরে শিবচরে পদ্মা সেতুর রেললাইনের ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

এদিন চিফ হুইপ উপজেলা পরিষদে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল, আইসিটি ল্যাব ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অটোমেশন উদ্বোধন, উপজেলা ভূমি অফিস ও জামিয়া মোহাম্মাদিয়া সামছুল উলূম মাদরাসা ও এতিমখানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর করেন।

চিফ হুইপ অধিগ্রহণ এলাকায় দালালদের অপতৎপতা নিয়ে চরম হুঁশিয়ারি দেন। তিনি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের প্রতি দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সাথে ভূমি হুকুম দখল কর্মকর্তার কার্যালয়ে শুদ্ধি অভিযান চালানোর আহ্বান জানান।

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে চিফ বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী সফর রাজনীতি শুরু হয়েছে। ধর্ম ব্যবহার করে রাজনীতি বঙ্গবন্ধু বন্ধ করে দিয়েছিলেন সংবিধানে। জিয়াউর রহমান বিএনপি ও জাতীয় পার্টি ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করার সুযোগ করে দেয়। তারা রাজাকার আলবদর যুদ্ধাপরাধীদের কোথায় বসায় নাই। প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, মন্ত্রী, এমপি বানিয়েছে, রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছে, নাগরিকত্ব দিয়েছে, রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছে। অথচ মসজিদ মাদরাসায় যা করেছে বঙ্গবন্ধু আর শেখ হাসিনাই করেছে।

তিনি বলেন, প্রতিটি উপজেলায় কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে মসজিদ করে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। করোনাকালে শেখ হাসিনাই মসজিদ মাদরাসায় খাবার ও টাকা দিয়েছেন। ধর্ম ব্যবহার করে যারা মন্ত্রী হয়েছিল কেউ কিন্তু কওমি মাদরাসাগুলোকে স্বীকৃতি দেয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই স্বীকৃতি দিয়েছেন। 

শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকায় চিফ হুইপ শিবচরের আলেমদের ধন্যবাদ জানিয়ে আরো বলেন, যে আন্দোলন করা হচ্ছে তার যুক্তি কী? তারা বলছে, ভারতে মুসলমানদের ওপর নির্যাতন হচ্ছে তাই তারা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আগমনে প্রতিবাদ করছে। আপনারা যদি এতই ধর্মভীরু হয়ে থাকেন, ভারতে মুসলমানদের নির্যাতনের প্রতিবাদে যদি আমাদের ছেলেদের আন্দোলনে নামাতেই পারেন। তাহলে সাহস করে মিয়ানমার যান না কেন? অসংখ্য মুসলমানদের হত্যা করল, লাখ লাখ মুসলমানকে দেশ থেকে তাড়িয়ে দিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের আশ্রয় দিলেন। তখন তো আন্দোলন দেখি নাই। তখন তো সাহস করে বলেন নাই। মুসলমানদের যদি কেউ অত্যাচার করে থাকে তাহলে সবচেয়ে বেশি করেছে মিয়ানমার, এখনো সেখানেই বেশি অত্যাচার হচ্ছে। সেখানে প্রতিদিন মুসলমানদের হত্যা করা হচ্ছে। এ দেশে গাড়ি না পুড়িয়ে পারলে সেখানে গিয়ে প্রতিবাদ করেন।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুনির চৌধুরী, জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন, পুলিশ সুপার মো. গোলাম মোস্তফা রাসেল পিপিএম ,উপজেলা চেয়ারম্যান আ. লতিফ মোল্লা, পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. শাজাহান মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. সেলিম, পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. তোফাজ্জেল হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক শংকর ঘোষ প্রমুখ।



সাতদিনের সেরা