kalerkantho

সোমবার । ৬ বৈশাখ ১৪২৮। ১৯ এপ্রিল ২০২১। ৬ রমজান ১৪৪২

মাদরাসার ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ, আটক ১

নিজস্ব প্রতিবেদক, নোয়াখালী   

১৯ মার্চ, ২০২১ ২২:৩৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাদরাসার ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ, আটক ১

নোয়াখালীর সদর উপজেলার চরমটুয়া ইউনিয়ন থেকে এক মাদরাসার ছাত্রীকে (১৬) তুলে এনে ধর্ষণের পর মারধর করে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার (১৯ মার্চ) সকাল ১১টায় মাইজদী রেললাইনের পাশে একটি ব্যাচেলর ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা হাসপাতাল থেকে কথিত প্রেমিক রায়হানকে (১৯) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। সে বেগমগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ খানপুর গ্রামের ডা. আবদুল মোতালেবের ছেলে। নিহত ওই কিশোরী স্থানীয় এক মাদরাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
  
নিহতের পরিবারের অভিযোগ করেন, চরমটুয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের রাকিব (২০) ও রায়হান (২১) উদয় সাধুর হাট বাজার থেকে মাদরাসা ছাত্রীকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে তুলে নিয়ে যায়। পরে তারা তাকে মাইজদী বাজারের রেল লাইনের পাশে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে কথিত প্রেমিক রায়হানসহ একাধিক তরুণ মিলে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। সকাল ১১টার দিকে ভুক্তভোগী কিশোরী কৌশলে তার বড় বোনকে ফোন করে ঘটনাটি জানায়। সে ফোনে বলে আপু আমার সব শেষ হয়ে গেছে। আমারে এখান থেকে নিয়ে যা। আমি মাইজদীর আশেপাশে আছি। তবে একবারে সঠিকভাবে বলতে পারব না কোথায় আছি। আমি পরে তোদের সব বলব। এর পরেই ধর্ষণকারীরা নির্যাতিতা কিশোরীর ফোন বন্ধ করে দেয় এবং ধর্ষণ শেষে তাকে বেধড়ক মারধর করে হত্যা করে। দুপুর দেড়টার দিকে অভিযুক্ত রায়হান ওই কিশোরীকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালে ওই কিশোরীর মরদেহ রেখে সে পালিয়ে যাওয়ার সময় হাসপাতাল থেকে নিহতের স্বজনরা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

সুধারাম থানার ওসি সাহেদ উদ্দিনকে পরিবারের ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন, পরিবারের অভিযোগ এটি তাদের বিষয়। মরদেহ ময়নাতন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে এবং রিপোর্ট অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা