• ই-পেপার

এক ফুটফুটে সদ্যোভূমিষ্ঠের নিথর দেহ ভাসছিল নদীর ঘোলা জলে

ভোলায় এক ইলিশ বিক্রি হলো প্রায় ১০ হাজার টাকায়

ভোলা প্রতিনিধি
ভোলায় এক ইলিশ বিক্রি হলো প্রায় ১০ হাজার টাকায়
ছবি : কালের কণ্ঠ

ভোলার মনপুরা উপজেলার মেঘনা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ২ কেজি ৪০০ গ্রাম ওজনের একটি রাজা ইলিশ। নিলামে মাছটি ৯ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের মমিন তালুকদারের মৎস্য আড়তে ইলিশটি নিলামে তোলা হয়।

আড়তের মালিক মমিন তালুকদার জানান, বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের জেলে ইসমাইল মাঝিসহ কয়েকজন জেলে মনপুরার রামনেওয়াজসংলগ্ন মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে অন্যান্য ইলিশের সঙ্গে বড় আকৃতির এ রাজা ইলিশটি পান। পরে মাছটি তার আড়তে আনা হলে নিলামে সর্বোচ্চ ৯ হাজার ৩০০ টাকায় তিনি নিজেই এটি কিনে নেন।

তিনি আরো জানান, বরিশাল ও ঢাকার পাইকারি বাজারে বড় আকারের ইলিশের চাহিদা বেশি। মঙ্গলবার অন্যান্য মাছের সঙ্গে ইলিশটি ঢাকার যাত্রাবাড়ী মাছের আড়তে পাঠানো হবে। সেখানে এটি ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকায় বিক্রি হতে পারে বলে তিনি আশা করছেন।

রামনেওয়াজ মাছঘাটের ব্যাপারী মো. নাহিদ বলেন, উপস্থিত ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণে নিলামের মাধ্যমে মাছটি বিক্রি করা হয় এবং সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে মমিন তালুকদার এটি ক্রয় করেন।

মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বণিক জানান, গত কয়েক দিনে মনপুরার মেঘনা নদীতে বেশ কয়েকটি বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি পেলে সামনের দিনগুলোতে জেলেদের জালে আরো বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়বে।

সিলেটে হারানো ৬৮টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের ফিরিয়ে দিল পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
সিলেটে হারানো ৬৮টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের ফিরিয়ে দিল পুলিশ
পুরনো ছবি

সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) সাইবার ক্রাইম ইউনিট ও জিনিয়া টিমের উদ্যোগে উদ্ধার হওয়া ৬৮টি হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে সিলেট মহানগর পুলিশ সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী মোবাইল ফোনগুলো মালিকদের হাতে তুলে দেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, গত ২২ ফেব্রুয়ারি মোবাইল ফোন উদ্ধার টিম গঠনের পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ২৩০টি হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেনার ক্ষেত্রে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, পুরোনো মোবাইল ফোন কেনার আগে বিক্রেতার পরিচয়, প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র এবং ডিভাইসের আইএমইআই (IMEI) নম্বর অবশ্যই যাচাই করা উচিত।

তিনি আরো বলেন, যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কিনলে প্রতারণা বা আইনি জটিলতায় পড়ার আশঙ্কা থাকে।

চুনারুঘাটের ভারতীয় সীমান্তে পুশ ইন ঠেকাতে সতর্ক অবস্থানে বিজিবি

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
চুনারুঘাটের ভারতীয় সীমান্তে পুশ ইন ঠেকাতে সতর্ক অবস্থানে বিজিবি
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের সম্ভাব্য পুশ ইন ঠেকাতে বিজিবি সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের সম্ভাব্য পুশ ইন ঠেকাতে ৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ভারত থেকে পুশ-ইনের প্রচেষ্টা বৃদ্ধি পাওয়ায় ৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ ১৬টি বিওপি থেকে ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও সতর্কতামূলক কার্যক্রম জোরদার করেছে। সীমান্তবর্তী জনগণের সাথে নিয়মিত উঠান বৈঠক, মাইকিং এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী সমন্বয় গড়ে তোলা হয়েছে।

স্থানীয় চা শ্রমিক, কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ, গ্রাম পুলিশ ও আনসার-ভিডিপি সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিজিবিকে সহযোগিতা করছে। বিজিবি জানায়, ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার ফলে হবিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো পুশ ইন বা অবৈধ অনুপ্রবেশ ঘটতে পারেনি।

এর আগে গত ২৭ ও ২৮ জুন রাতে ও ভোরে মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার তেলিয়াপাড়া এবং গুইবিল সীমান্ত এলাকায় রাতের অন্ধকারে বিএসএফের সিকিউরিটি লাইট বন্ধ করে একাধিক পুশ-ইনের অপপ্রচেষ্টা বিজিবির দক্ষ টহলদল তাৎক্ষণিকভাবে সীমান্ত শূন্য লাইনে প্রতিহত করেছে। সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাবাসীদের সতর্ক অবস্থান ও তথ্যের ভিত্তিতে টহলদল দ্রুত ও কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে সক্ষম হয়।

৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান বলেন, ‘হবিগঞ্জ সীমান্তে আমরা একা নই। বিজিবি, জেলা প্রশাসন, পুলিশ, গ্রাম পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, স্থানীয় কৃষক, চা শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষ সবাই একসাথে একটি অটুট সেতুবন্ধন গড়ে তুলেছি। দেশের সীমান্ত রক্ষায় সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের এই দেশপ্রেমই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রতিটি ইঞ্চি সীমান্ত পাহারা দিচ্ছি। যেকোনো ধরনের পুশ-ইন বা অনুপ্রবেশের চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।’

বর্তমানে হবিগঞ্জ জেলা সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ৫৫ বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে আগুন, উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে আগুন, উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ
ফাইল ছবি

খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার একমাত্র ৩৩/১১ কেভি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুরো উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। সোমবার (২৯ জুন) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসংলগ্ন উপকেন্দ্রে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপকেন্দ্র থেকে হঠাৎ ধোঁয়া ও আগুনের শিখা বের হতে দেখে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, আগুনে উপকেন্দ্রের একটি বৈদ্যুতিক পয়েন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে কী কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় কোনো ধরনের গাফিলতি ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

খাগড়াছড়ি বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ইবনে গিয়াস বলেন, লক্ষীছড়ির ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রে আগুনে একটি ইনসুলেটর এবং পাওয়ার এয়ার সার্কিট রিক্লোজার (এএসিআর) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে মেরামত কাজ চলছে এবং যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে।

১ নম্বর লক্ষ্মীছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রবীল কুমার চাকমা বলেন, উপকেন্দ্রে আগুন লাগার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হলেও তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

এক ফুটফুটে সদ্যোভূমিষ্ঠের নিথর দেহ ভাসছিল নদীর ঘোলা জলে | কালের কণ্ঠ