kalerkantho

মঙ্গলবার । ৭ বৈশাখ ১৪২৮। ২০ এপ্রিল ২০২১। ৭ রমজান ১৪৪২

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতিকে পেটালেন কাদের মির্জা?

নিজস্ব প্রতিবেদক, নোয়াখালী   

৮ মার্চ, ২০২১ ২০:৩৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতিকে পেটালেন কাদের মির্জা?

কাদের মির্জা (বাঁয়ে) ও ছেঁড়া পাঞ্জাবি পরনে খিজির হায়াত (ডানে)

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানকে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ও তার অপর সহোদর সাহদাত হোসেনের বিরুদ্ধে। এছাড়াও তার পাঞ্জাবিও ছিঁড়ে ফেলেছেন বলে অভিযোগ। সোমবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার বসুরহাট বাজারের রুপালী চত্ত্বরের এ ঘটনা ঘটে। পরে তাকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

কাদের মির্জার ভাগ্নে ও খিজির হায়াত পক্ষের অন্যতম নেতা ফখরুল ইসলাম রাহাত এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, সম্প্রতি মেয়র কাদের মির্জার অপরাজনীতির বিরোধীতা করে আসছিল খিজির হায়াত খান। এ বিরোধের জের ধরে ক্ষিপ্ত হয়ে এই ঘটনা ঘটান কাদের মির্জা ও তার অপর সহোদর শাহাদাত। খিজির হায়াত খান বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি আরো অভিযোগ করেন, কাদের মির্জা ও তার ছোট ভাই সাহদাতের নেতৃত্বে অস্ত্রধারীরা এই হামলা করে। ওই সময় উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ ফরহাদ লিংকনকে আটক করে পৌরসভা কার্যালয়ে নিয়ে আটকে রাখে। তিনি আরো দাবি করেন, এ সময় কাদের মির্জা ও সাহদাতের সন্ত্রাসী বাহিনী বাজারে অস্ত্রের মহড়া দেয়।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খিজির হায়াত খান অভিযোগ করে বলেন, বিকেল ৫টার দিকে তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে একা অবস্থান করছিলেন। ওই সময় মেয়র কাদের মির্জা অফিসে এসে প্রথমে কলার ধরে আমাকে লাঞ্ছিত করে বেধড়ক মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে তার সাথে থাকা অপর ভাইসহ তার শতাধিক সমর্থকসহ কলার ধরে রাস্তার নিয়ে এসে লাথি, কিল, ঘুষি মেরে পাঞ্জাবি ছিঁড়ে ফেলে। আমাকে এমনভাবে পেটালেন যেন আমি একজন পকেটমার, চোর। এ সময় আমি থানা পুলিশকে জানালেও তারা আমাকে কোন সহযোগিতা করেননি।

এ বিষয়ে কথা বলতে বসুরহাট পৌরসভার আবদুল কাদের মির্জার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি নিজে ফোন ধরেননি। অন্য এক ব্যক্তি ফোন ধরে দাবি করে বলেন, কাদের মির্জা কোনো হামলা করেননি।

কাদের মির্জার অপর ভাই শাহাদাত হোসেন জানান, বিক্ষুদ্ধ লোকজন ও জনরোষ থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খিজির হায়াতকে উদ্ধার করেন। তিনি বা তার ভাই ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা তার ওপর কোনো হামলা করেননি। তবে বিক্ষুদ্ধ লোকজন মেয়রকে নিয়ে উল্টাপাল্টা কথা বলায় তার পাঞ্জাবি ছিঁড়ে ফেলেন।     

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনির সঙ্গে ফোনে কথা বলার জন্য একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন কেট দেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা