kalerkantho

রবিবার। ৫ বৈশাখ ১৪২৮। ১৮ এপ্রিল ২০২১। ৫ রমজান ১৪৪২

হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে

মালিকানা জমিতে হচ্ছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর!

পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি   

৮ মার্চ, ২০২১ ২০:২৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মালিকানা জমিতে হচ্ছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর!

হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে মালিকানা জমিতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণের প্রতিবাদে লালমনিরহাটের পাটগ্রামে সংবাদ সম্মেলন করেছে কৃষক আলহাজ হাবিবুর রহমান হবি।

হাবিবুর রহমান হবি সোমবার দুপুরে বুড়িমারী ইউনিয়নের কামারেরহাট নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সময় লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ১১৪০ খতিয়ানের ৯.১৬ একর জমি ১৯৬৯ সালে ৫৭৫২ নম্বর দলিল রেজিস্ট্রি মূলে ক্রয় করি। উক্ত জমি বসতবাড়িসহ ভোগদখলে থাকা অবস্থায় ইউনিয়ন তহসিলদার ১৯৯০ সালে চক্রান্ত করে ১ নম্বর খাস খতিয়ানে রেকর্ডভুক্ত করেন। এ ঘটনায় ২০১৫ সালে আদালতে মামলা দায়ের করি। আদালত ১৯৯০ সালের রেকর্ড গেজেট না হওয়ায় মামলাটি খারিজ করে দেন। ২৫ জানুয়ারি ২০২১ সালে আপিল করি ও স্থায়ি নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন দেই। ওই আবেদনটিও খারিজ হয়।

তিনি বক্তব্যে আরো জানান, এরপর মামলার কাগজপত্র নিয়ে গত ৯ ফেব্রুয়ারি স্থগিতাদেশ চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করি। হাইকোর্ট কাগজপত্র দেখে ওই দিনই আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণে ৬ মাসের স্থগিতাদেশ প্রদান করেন। লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পাটগ্রাম উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বুড়িমারী ইউনিয়ন তহশিলদারকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বলেন। ঘর নির্মাণে হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ দিলেও আদেশ না মেনে নিজস্ব মালিকানা জমিতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণ অব্যাহত রেখেছে পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)।

নালিশি জমিতে অবকাঠামো নির্মাণ বন্ধ রাখতে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানালেও তারা ভয়-ভীতি দিয়ে কাজ অব্যাহত রেখেছেন। আমার জমির ফসল ও অবকাঠামো নষ্ট করায় আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমি প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছি।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর বলেন, আমরা হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুসরণ করছি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা