kalerkantho

রবিবার। ৫ বৈশাখ ১৪২৮। ১৮ এপ্রিল ২০২১। ৫ রমজান ১৪৪২

মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননাসহ নানা আয়োজনে নোবিপ্রবিতে ৭ই মার্চ উদযাপন

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি    

৭ মার্চ, ২০২১ ২০:২২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননাসহ নানা আয়োজনে নোবিপ্রবিতে ৭ই মার্চ উদযাপন

নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) 'জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস' ৭ই মার্চ উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আজ রবিবার (৭ই মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সম্মিলিতভাবে দাঁড়িয়ে ৭ই মার্চের ভাষণ শ্রবণ, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, স্মরণিকা 'সেই থেকে স্বাধীনতা'র মোড়ক উন্মোচন ও বিতরণ, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক আলোচনা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসটির কর্মসূচি শুরু হয়। কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. দিদার-উল-আলম। সকাল ৯টায় সম্মিলিতভাবে দাঁড়িয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ শ্রবণ এবং দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করা হয়। পরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। 

পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ফারুক উদ্দিনের সভাপতিত্বে বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজি মোহাম্মদ ইদ্রিস অডিটোরিয়ামে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. দিদার-উল-আলম বলেন, 'বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ প্রদানের এই জাতীয় ঐতিহাসিক দিবসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা দিতে পেরে আমরা নোবিপ্রবিই সম্মানিত হয়েছি। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদান ও তাঁদের স্মৃতিচারণ আগামী প্রজন্মকে শোনানোর এই উদ্যোগ আমরা অব্যাহত রাখব'।

সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর, সাধারণ সম্পাদক মো. মজনুর রহমান, আইআইএস এর পরিচালক ড. ফিরোজ আহমেদ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মো.জসীম উদ্দিন, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন ও কর্মচারীদের পক্ষে টিটু চন্দ্র দাস প্রমুখ। 

আমন্ত্রিত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন আবুল হাশেম, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হকের বোন হাসিনা আক্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ওমর ফারুক, সুধারাম থানার কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, সাবেক নোয়াখালী জেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মমতাজুল করিম বাচ্চু, মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী আহমেদ চৌধুরীর ছেলে জহিরুদ্দিন বাবর, সাবেক নোয়াখালী জেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক মিলন, সাবেক জেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা এ বি এম নাজমুল হক বাদল, সাবেক জেলা কমান্ডার মো. মিজানুর রহমান।

সভায় আমন্ত্রিত সকল মুক্তিযোদ্ধা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, হলের প্রভোস্ট, শিক্ষক সমিতি ও অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতারাসহ ছাত্র-শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী।

আলোচনাসভা শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মঞ্চ নাটক ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা