kalerkantho

মঙ্গলবার । ৭ বৈশাখ ১৪২৮। ২০ এপ্রিল ২০২১। ৭ রমজান ১৪৪২

নির্মাণাধীন কনভেনশন সেন্টারের বিরুদ্ধে নিরাপত্তায় গাফলতির অভিযোগ

খুলনা অফিস   

৬ মার্চ, ২০২১ ১৮:০৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নির্মাণাধীন কনভেনশন সেন্টারের বিরুদ্ধে নিরাপত্তায় গাফলতির অভিযোগ

খুলনায় নির্মাণাধীন ১৫তলা অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কনভেনশন সেন্টার নির্মাণ কাজে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে গাফলতির অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। নির্মাণাধীন প্রতিষ্ঠানসংলগ্ন বাড়ির মালিকরা এ অভিযোগ করেন। 

তারা বলেছেন, নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় নির্মাণধীন স্থাপনার কারণে আশপাশের অন্তত ১৫টি বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে। এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার, সিটি মেয়র, পুলিশ কমিশনার, কেডিএ চেয়ারম্যান, প্রকল্প পরিচালক ও স্থানীয় কাউন্সিলরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার জানানো হলেও কোনো কাজ হয়নি। এর ফলে তারা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

আজ শনিবার সকালে খুলনা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ অভিযোগ করেন নগরীর ২ নম্বর মির্জাপুর রোডের বাসিন্দা জি এম আব্দুস সাত্তার। তাঁর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মাহনাজ পারভীন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, নগরীর মির্জাপুর এলাকায় সামছুর রহমান রোডে দুটি বেজমেন্টে খুলনা অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কনভেনশন সেন্টারের ১৫তলা ভবন নির্মিত হচ্ছে। আমরা আশা করেছিলাম, ভবনটি নির্মাণের ক্ষেত্রে আশপাশের ভবনে যেন কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হয় সে ব্যাপারে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সতর্ক থাকবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক- তারা কোনো প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা নেয়নি। এ কারণে পাইলিং করার সময় সৃষ্ট কম্পন ও শব্দে আমরা ভীত হয়ে পড়ি। পরবর্তীতে নির্মাণাধীন ভবনসংলগ্ন বাড়িগুলোতে বড় বড় ফাটলের সৃষ্টি হয়। এতে ভবনের উত্তর ও দক্ষিণ দিকের বাড়ির বসবাসকারী পরিবারগুলো অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। প্রথম দফায় পাইলিংয়ের কাজ শেষ হলে নির্মাণাধীন ভবনের উত্তর দিকের বাসিন্দা জি এম আব্দুস সাত্তার প্রায় আট লাখ টাকা ব্যয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িটি সংস্কার করেন। কিন্তু পরবর্তীতে চলমান এই ভবন নির্মাণ কাজের জন্য সংস্কার করা বাড়িটিতে ফের ফাটল দেখা দিয়েছে। যেকোনো সময় বাড়িটি ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এ ভবনটি নির্মাণের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ঢাকার বনানীর চেয়ারম্যান গলির ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারস লিমিটেড। আবাসিক বাড়ির মালিক হিসেবে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কয়েকবারই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। তবে কোনো ক্ষতিপূরণ পাননি তারা।

সর্বশেষ গত ৭ ফেব্রুয়ারি ক্ষতিগ্রস্ত জি এম আব্দুস সাত্তার খুলনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল হাই, এজাজ আহমেদ, সিরাজউদ্দিন, তারিকুল ইসলাম, মো. আরিফুর রহমান, সিরাজুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান প্রমুখ। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা