kalerkantho

রবিবার। ৫ বৈশাখ ১৪২৮। ১৮ এপ্রিল ২০২১। ৫ রমজান ১৪৪২

পুনর্মিলনী যেন মিলন মেলা

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ   

৫ মার্চ, ২০২১ ২১:৪০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পুনর্মিলনী যেন মিলন মেলা

ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রাচীণতম বিদ্যাপিঠ নান্দাইল পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের এসএসসি ৯৩ ব্যাচের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল থেকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়

এ উপলক্ষে আজ শুক্রবার সকালে স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যালয়টির সাবেক সিনিয়র শিক্ষক আলী আফজাল খান। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক শোভাকণা সাহা, মোছা. হামিদা খাতুন, আয়েশা আক্তার, ফজিলা খাতুন ও বর্তমান প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেক প্রমূখ।

পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়েছিল ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার নান্দাইল পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের আঙিনায়। আয়োজক ছিলেন ১৯৯৩ ব্যাচের ছাত্রীরা। ছাত্রীরা ডেকে নিয়েছেন তাদের প্রিয় শিক্ষকদের। যারা ইতিমধ্যে অবসরে চলে গেছেন। আর যারা মারা গেছেন তাদের সন্তানরাও আমন্ত্রিত ছিলেন এই অনুষ্ঠানে।

আয়োজকদের একজন ড. ইশরাত জাহান আইরিন খুলনার কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, শিক্ষকতা, সংসার সামলিয়ে প্রিয় বান্ধবী বা সহপাঠীদের সাথে দেখা হয় না। অনেকের সাথে ফোনে যোগাযোগ থাকলেও দীর্ঘ সময় ধরে সামনা-সামনি দেখা সাক্ষাৎ হচ্ছিল না। তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে একটি গ্রুপ খুলে কয়েকজনের সাথে যোগাযোগ করে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত নেই। অনেকেই দূর-দুরান্ত থেকে এ অনুষ্ঠানে এসেছেন। অনেকের সাথে ২৮ বছর পর দেখা হয়েছে। আয়োজকদের মধ্যে ছিলেন ময়মনসিংহের নাসিরাবাদ কলেজের প্রভাষক তাসলিমা আক্তার লাভলী। তিনি বলেন, আমরাই প্রথম এমন একটি অনুষ্ঠান শুরু করেছি। আশা করি অনুজরা এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে। আরেক আয়োজক বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস অফিসার নাসিমা আনোয়ারা বেগম বলেন, দীর্ঘদিন পর বান্ধবী ও প্রিয় শিক্ষকদের সাথে মিলিত হতে পেরে খুবই ভালো লাগছে।

নান্দাইল পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক মো. আলী আফজাল খান বলেন, ছাত্রজীবনে শ্রেণিকক্ষে প্রথম সারির বেঞ্চে বসতাম। এখন দেশের অনেককিছু নির্ধারণ করেন বেকবেঞ্চাররা। কিন্তু যখন দেখি ২৮ বছর আগের ছাত্রীরা তাদের কথা ভুলে যায়নি তখন শিক্ষক হিসেবে গর্ববোধ করি। 

অনুষ্ঠানের সঞ্চালক গৌরীপুর বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক নপুর রানি ভট্টাচার্য বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক বিমল চন্দ্র সাহার ক্লাসে ব্যাঙের ব্যবচ্ছেদের স্মৃতিচারণ করেন। ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের গাইনি বিভাগের পরামর্শক ডা. সুলতানা বেগম বলেন, তিনি পুরানো বান্ধবী ও স্যারদের সামনা সামনি দেখার জন্য ফরিদপুর থেকে এসেছেন।

বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল খালেক বলেন, এটি তার বিদ্যালয়ের প্রথম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান যা ১৯৯৩ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা আয়োজন করেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা