kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৯ বৈশাখ ১৪২৮। ২২ এপ্রিল ২০২১। ৯ রমজান ১৪৪২

হিসাবরক্ষকের 'বেহিসাবি' অনিয়ম

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি   

৫ মার্চ, ২০২১ ১২:৫১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হিসাবরক্ষকের 'বেহিসাবি' অনিয়ম

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের হিসাবরক্ষক আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, অর্থ আত্মসাত, কর্মক্ষেত্রে অনিয়মিত উপস্থিতিসহ নানা অভিযোগ উঠেছে। আশরাফুল আলম হাকিমপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে দীর্ঘ পাঁচ বছর অফিস সহকারী পদে কর্মরত থাকা অবস্থায় সম্প্রতি পদোন্নতি পেয়ে উপজেলায় হিসাবরক্ষক পদে কর্মরত আছেন।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী ও জনপ্রতিনিধিদের মৌখিক ও লিখিত নানা অভিযোগের প্রেক্ষিতে দিনাজপুর জেলা শিক্ষা অফিসার রফিকুল ইসলাম গত ৪ নভেম্বর তাকে বদলিসহ বিভাগীয় ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর সুপারিশ করেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত হিসাবরক্ষক আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এখন তার অনিয়ম-দুর্নীতি বেড়ে গেছে বলেও অভিযোগ।

একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা জানান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের হিসাবরক্ষক আশরাফুল আলমের নিকট আমরা জিম্মি। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে কোন প্রকার তথ্য জমা দিতে গেলে কাজের ভুল না থাকলেও নানা অজুহাতে ভুল দেখিয়ে তথ্য জমা না নেওয়ার হুমকি দেন। আমাদের করা কাজ তার অপছন্দ এবং পুনরায় কাজ করার নামে অবৈধভাবে নানা রকম হয়রানি করেন। শিক্ষক-কর্মচারীদের ইএফটিসহ সকল কাজে ৪-৫ গুণ বেশি টাকার বিনিময়ে তার মাধ্যমে করতে বাধ্য করা হয়। এ সকল অনিয়ম তিনি অফিসে বসেই চালান। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস যেন এক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।
 
অভিযুক্ত আশরাফুল আলম বলেন, আমি ওইসব অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত না। আমাকে হয়রানি করার জন্য একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বোরহান উদ্দিন জানান, হিসাবরক্ষক আশরাফুল আলমের অভিযোগের ব্যাপারে আমি অবগত আছি।
 
হাকিমপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হারুন-উর রশিদ হারুন জানান, হিসাবরক্ষক আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে অভিযোগ করা হয়েছিল। তিনি অভিযুক্ত আশরাফুল আলমকে অন্যত্র বদলিসহ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর সুপারিশও করেছেন। 

জেলা শিক্ষা অফিসার রফিকুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে জানান, আমি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী ও জনপ্রতিনিধিদের মৌখিক ও লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত আশরাফুল আলমকে অন্যত্র বদলিসহ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর সুপারিশ করেছি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা