kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৯ বৈশাখ ১৪২৮। ২২ এপ্রিল ২০২১। ৯ রমজান ১৪৪২

সবকিছু নিয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয় ছাড়লেন কাদের মির্জা

নোয়াখালী প্রতিনিধি   

১ মার্চ, ২০২১ ২০:০৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সবকিছু নিয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয় ছাড়লেন কাদের মির্জা

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় ছেড়েছেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আলোচিত মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। একই সঙ্গে ওই অফিসে থাকা তার ব্যক্তিগত কাগজপত্রসহ সেখানে থাকা আসবাবপত্র সরিয়ে নিয়ে গেছেন।

আজ সোমবার দুপুরে বসুরহাট রূপালী চত্বরে অবস্থিত উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সব মালামাল তিনি পার্শ্ববর্তী একটি ভবনে ব্যক্তিগত অফিসে নিয়ে গেছেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় ছেড়ে দেওয়া প্রসঙ্গে আবদুল কাদের মির্জা (তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য) বলেন, ওই কার্যালয়টি ঘরের মালিকদের বুঝিয়ে দিয়েছি। সোমবার থেকে আমি বসুরহাট রূপালী চত্বরে আলেয়া টাওয়ারে ব্যক্তিগত অফিসে বসব। তাই আমার কেনা মালামালগুলো নিয়ে এসেছি।

ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, অপরাজনীতির সঙ্গে আমি নাই। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের অফিস কোথায় হবে তা একমাত্র ওবায়দুল কাদের জানেন।

জানতে চাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরনবী চৌধুরী বলেন, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না।

তিনি আরো বলেন, এসব মালামাল পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্স থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের নামে ক্রয় করা। উনি (কাদের মির্জা) আওয়ামী লীগের মালামাল ব্যক্তিগতভাবে নিয়ে যেতে পারেন না। তবে তিনি কেন নিয়ে গেছেন তা তিনি বলতে পারেন।

এর আগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি কাদের মির্জার বিরুদ্ধে জেলা আওয়ামী লীগের অব্যাহতিসহ কেন্দ্রের কাছে পাঠানো বহিষ্কারের সুপারিশ স্থগিত ও প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ শনিবার তাকে দল থেকে চূড়ান্ত বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কাছে পাঠানো সুপারিশ বিজ্ঞপ্তি জারির ২ ঘণ্টার মধ্যেই সেটি প্রত্যাহার করে নেয়।

আবদুল কাদের মির্জাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের জন্য সুপারিশ চিঠিতে বলা হয়েছিল, বিগত কয়েক সপ্তাহ থেকে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা দলীয় নেতা ও কর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়ে গুরুতর আহত করায় এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ ও নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ সম্পর্কে অশালীন বক্তব্য ও আপত্তিজনক উক্তি বিভিন্ন সভা-সমাবেশে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে সংগঠনবিরোধী অশোভনীয় মন্তব্য ও নেতা এবং কর্মীদের হুমকি প্রদান করার অভিযোগে আব্দুল কাদের মির্জাকে সংগঠনের সকল কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়।

পরিশেষে বলা হয়, সংগঠনবিরোধী উল্লেখিত কারণ ও দলীয় গঠনতন্ত্রপরিপন্থী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে আব্দুল কাদের মির্জাকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কার করার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ সমীপে সুপারিশ পেশ করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা