kalerkantho

সোমবার । ৬ বৈশাখ ১৪২৮। ১৯ এপ্রিল ২০২১। ৬ রমজান ১৪৪২

চকরিয়ায় জনসভায় মাহবুব উল আলম হানিফ

৭ই মার্চের ভাষণ বিএনপির ‘স্বীকার করা না করা নিয়ে’ কিছুই যায় আসে না : হানিফ

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:৩০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



৭ই মার্চের ভাষণ বিএনপির ‘স্বীকার করা না করা নিয়ে’ কিছুই যায় আসে না : হানিফ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল সাহেবরা বলছেন যে, ৭ই মার্চের ভাষণ অস্বীকার করার উপায় নেই। অনেকে বলেছেন যে এতদিন পরে তাদের বোধোদয় হয়েছে। কিন্তু এই মির্জা ফখরুল সাহেবকে জিজ্ঞেস করি, আপনাদের এটা বোধোদয় না-কি আবারো কূটচালের কথা বলছেন।

হানিফ বলেন, পঁচাত্তর সালে জাতির পিতাকে হত্যার পর আপনার দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছিলেন। উনি রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেই এই বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ করেছিলেন। যে ভাষণ ছিল স্বাধীনতার ডাক, স্বাধীনতার ঘোষণা সেটাকে নিষিদ্ধ করেছিলেন। এমনকি সারাদেশে ৭ই মার্চের ভাষণ বাজাতে দেওয়া হয় নাই। মাইক ভেঙে দিয়েছে, হামলা করেছে। মানুষের জন্য রান্না করা খাবার ফেলে দিয়েছে টেনে। এতটাই প্রতিহিংসা পরায়ণ ছিল বিএনপি এবং খুনি জিয়া ও তার দোসররা। আজকে সেই খুনি জিয়ার দোসর, তার অনুসারী মির্জা ফখরুল সাহেব আজকে বলছেন ৭ই মার্চের ভাষণ অস্বীকার করার উপায় নেই।

মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, আপনারা (বিএনপি) অস্বীকার করা না করা এতে জাতির কিছুই যায় আসে না। কারণ এই ভাষণ এর মধ্যেই জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ লাইব্রেরিতে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণগুলোর মধ্যে একটি ভাষণ হিসেবে রূপান্তর হয়েছে, দলিল হয়ে রয়েছে জাতিসংঘে। সেই জায়গায় আপনি ৭ই মার্চের ভাষণ স্বীকার করেন কি-না করেন এতে কিছুই যায় আসে না।

কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলমের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ৮ হাজার বর্গফুটে স্থাপিত 'বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ কর্নার' উদ্বোধন শেষে রবিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে চকরিয়া সরকারি কলেজ মাঠে বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহবুব উল আলম হানিফ এসব কথা বলেন। 

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাফর আলম। চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ও প্রচার সম্পাদক আবু মুছার যৌথ সঞ্চালনায় জনসভায় আরো বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, কুষ্টিয়ার সাংসদ সেলিম আলতাজ জর্জ। 

কক্সবাজারের সাংসদ যথাক্রমে সাইমুম সরওয়ার কমল, আশেক উল্লাহ রফিক, কানিজ ফাতেমা মোস্তাক, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে. কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, সালাহউদ্দিন আহমদ সিআইপি, সহসভাপতি রেজাউল করিম, লায়ন কমরুদ্দীন আহমদ, চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী, পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, চকরিয়া পৌরমেয়র আলমগীর চৌধুরী, এ টি এম জিয়াউদ্দিন চৌধুরী, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বাবলা, সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম, আবুল কাশেম প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা