kalerkantho

রবিবার। ২৮ চৈত্র ১৪২৭। ১১ এপ্রিল ২০২১। ২৭ শাবান ১৪৪২

সেই ফিরোজার স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে এলেন বিপুল ফারাজী

চন্দন দাস, বাঘারপাড়া (যশোর)   

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:১৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সেই ফিরোজার স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে এলেন বিপুল ফারাজী

স্বামী ক্যান্সারে মারা যাওয়ার পর দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন ফিরোজা বেগম। আধা পাকা ঘরের ছাউনি দিতে না পারায় সন্তানদের নিয়ে কখনো বাবার বাড়ি আবার কখনো অন্যের ঘরে রাত কাটাতে হতো তার। অবশেষে স্বপ্ন পূরণ হলো অসহায় ফিরোজার। আর স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে এলেন যশোর জেলা পরিষদ সদস্য ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার বিপুল ফারাজী।

আজ শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ফিরোজার অসমাপ্ত ঘর নির্মাণে ছয় বান ঢেউটিন ও এর সরঞ্জামাদি নিয়ে হাজির হন তিনি। একই সাথে ঘোষণা দেন অসহায় এই পরিবারটির পাশে থাকার।

এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি কালের কণ্ঠে অনলাইনে ‘স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল ফিরোজার!’ শিরোনামে একটি সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে ইঞ্জিনিয়ার বিপুল ফারাজীর।

ফিরোজা যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ভাতুড়িয়া গ্রামের মৃত ওবায়দুলের স্ত্রী ও একই গ্রামের দ্বীন আলীর মেয়ে। স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় খুশি ফিরোজা বেগম বলেন, স্বামী মারা যাওয়ার পর কখনো ভাবিনি ভালো ঘরে থাকতে পারবো। বিপুল ফারাজী ঘর নির্মাণের জন্য টিন কিনে দিয়েছেন। এখন ছেলে-মেয়ে নিয়ে ভালো ঘরে থাকতে পারবো। অন্যের বাড়ি আর রাত কাটাতে হবে না।

ফিরোজা বেগম বলেন, আমি খুব খুশি হয়েছি। বিপুল ফারাজীর জন্য আল্লাহর কাছে মন খুলে দোয়া করব। এ সময় আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন ফিরোজা বেগম।

ইঞ্জিনিয়ার বিপুল ফারাজী বলেন, আল্লাহ আমাকে দরিদ্র অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছেন-তাই পেরেছি। অসহায় একটি পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পেরে ভালো লাগছে। রাজনীতি করি মানুষের কল্যাণে। সারাজীবন যেন মানুষের পাশে থাকতে পারি-আল্লাহ যেন সেই তৌফিক দান করেন।

মাস তিনেক আগে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে যান ফিরোজার স্বামী দিমজুর ওবায়দুল। তাদের স্বপ্ন ছিল সন্তানদের নিয়ে পাকা ঘরে সবাই একত্রে বসবাস করবেন। ফিরোজার দুটি সন্তান রয়েছে। ছেলে দশম শ্রেণির ছাত্র মেহেদী হাসান রাজমিস্ত্রির কাজ করে সংসার চালাচ্ছেন। মেয়ে মাহমুদার সুলতানা মাওয়ার বয়স এখন দেড় বছর।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা