kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৯ বৈশাখ ১৪২৮। ২২ এপ্রিল ২০২১। ৯ রমজান ১৪৪২

ধুনটে দুস্থ নারীরা ভাতাবঞ্চিত, চেয়ারম্যানদের দায়িত্বহীনতার অভিযোগ

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি    

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৯:৪১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধুনটে দুস্থ নারীরা ভাতাবঞ্চিত, চেয়ারম্যানদের দায়িত্বহীনতার অভিযোগ

বগুড়ার ধুনটে উপকারভোগীদের চূড়ান্ত তালিকা তৈরিতে বিলম্ব হওয়ায় মাতৃত্বকালীন ভাতা পাচ্ছেন না দুস্থ নারীরা। এতে উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের দায়িত্বহীনতার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে দুই কার্মদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত তালিকা চেয়ে গত বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ইউপি চেয়ারম্যানদের চিঠি দিয়ে সতর্ক করেছেন।

উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের 'দরিদ্র মায়েদের জন্য মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রদান' কর্মসূচির আওতায় ২০২০ সালের জুলাই মাস থেকে উপজেলার ১০ ইউনিয়নে ৫০০ জন নারীকে ভাতা প্রদানের কথা ছিল। প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছ থেকে ৫০ জন করে নারীর তালিকা চাওয়া হয়। প্রত্যেককে মাসে ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে। ছয় মাস পরপর এসব নারী স্থানীয় সোনালী ব্যাংকে নিজের হিসাব নম্বর থেকে টাকা উত্তোলন করবেন। তিন বছর পর্যন্ত তাঁরা এই ভাতা পাবেন। নিয়ম অনুযায়ী, দরিদ্র ও দুস্থ গর্ভবতী মায়েরাই ওই ভাতা পাওয়ার যোগ্য।

২০২০ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ইউনিয়ন পর্যায় থেকে তালিকা চূড়ান্ত করে উপজেলা কমিটির নিকট জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্ত ১০ ইউনিয়নের মধ্যে পাঁচটি ইউনিয়ন থেকে আজও চূড়ান্ত তালিকা জমা দিতে পরেনি। এরমধ্যে হলো, ধুনট সদর, চৌকিবাড়ি, চিকাশি, এলাঙ্গী ও মথুরাপুর ইউনিয়ন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত তালিকা জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এই ৫ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে সতর্ক করেছেন ইউএনও। দুই কার্যদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত তালিকা জমা দিতে বলা হয়েছে তাঁদেরকে।

ধুনট সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান লাল মিয়া বলেন, 'ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের পাশাপাশি বরাদ্দের একটি অংশের তালিকা তৈরির দায়িত্ব সরকারি দলের নেতাকর্মীদের দেওয়া হয়। কিন্ত দলের নেতাকর্মীদের তালিকা না পাওয়ায় চূড়ান্ত তালিকা জমা দিতে বিলম্ব হচ্ছে। তবে ইউএনও স্যারের দেওয়া পত্র মোতাবেক নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চূড়ান্ত তালিকা জমা দেওয়া হবে।' 

ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কমিটির সভাপতি সঞ্জয় কুমার মহন্ত বলেন, 'ইউপি চেয়ারম্যানদের বার বার তাগিদ দেওয়ার পরও চূড়ান্ত তালিকা জমা না দেওয়ায় ভাতা প্রদান কার্যক্রমে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তবে দুই কর্মদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত তালিকা চেয়ে চেয়ারম্যানদের পত্র দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তালিকা না পেলে এর দায়ভার চেয়ারম্যানদের বহন করতে হবে।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা