• ই-পেপার

৫০ হাজার থেকে পাঁচ লাখে মুক্তিযোদ্ধা!

  • যুদ্ধকালীন প্রশিক্ষণের সনদের ফটোকপি ৩০-৩৫ হাজার টাকায় বিক্রির অভিযোগ

আসামির মুক্তির দাবি বাদীর

পাবনা প্রতিনিধি
আসামির মুক্তির দাবি বাদীর
সংগৃহীত ছবি

পাবনার ঈশ্বরদীতে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনের মামলার বিচারাধীন অবস্থায় অভিযুক্তকে বিয়ে করেছেন বলে দাবি করেছেন মামলার বাদী। বিয়ের পরদিন আদালত অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠালে তিনি মামলাটি প্রত্যাহার এবং স্বামীর মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।

সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে পাবনা সাংবাদিক ইউনিয়নের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান মামলার বাদী জান্নাতুল ফেরদৌসী।

বাদী জান্নাতুল ফেরদৌসী পাবনার ঈশ্বরদী থানা এলাকার শৈলপাড়া গ্রামের জয়নাল আবেদনীনের মেয়ে।

লিখিত বক্তব্যে জান্নাতুল ফেরদৌসী বলেন, আমি গত ২০২৪ সালের ১২ নভম্বের চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানার শাহান শরীফ রিপনের ছেলে মো. ইসতেয়াক হোসাইন রিফাতের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করি। এর এফআইআর নং-১৭। উক্ত মামলায় প্রেমের সম্পর্কের জেরে আমাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ এবং ধর্ষণের ভিডিও ধারণের অভিযোগ দায়ের করেছিলাম। মামলাটি বর্তমানে পাবনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে।

তিনি বলেন, বিচারাধীন অবস্থায় উভয় পরিবারের সম্মতিতে এবং আমার স্বেচ্ছা সম্মতিতে গতকাল রবিবার পাবনা পৌর এলাকার ৬ নং ওয়ার্ডের বিবাহ ও তালাক নিবন্ধক মো. আব্দুল মজিদের মাধ্যমে আসামি মো. ইসতেয়াক হোসাইন রিফাতের সঙ্গে বৈধ বিবাহ সম্পন্ন করি। বিবাহে ৭ লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়েছে। এ সময় আমাদের উভয়ের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরো বলেন, বিয়ের পরের দিন আজ সোমবার (২৯ জুন) উক্ত মামলায় আদালতে নিয়মিত হাজিরা দিতে আত্মসমর্পণ করলে মাননীয় আদালত আমার স্বামী মো. ইসতেয়াক হোসাইন রিফাতের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। এমতাবস্থায়, আমি আমার স্বামীর সঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও সুখী দাম্পত্য জীবনযাপন করতে ইচ্ছুক। আমি আদালতের নিকট বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমাদের মধ্যে পারিবারিক মীমাংসা হয়েছে এবং আমি আমার স্বামীর মুক্তি কামনা করছি।
আসামির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগসমূহের বিষয়ে আর অগ্রসর হতে ইচ্ছুক নই এবং এ বিষয়ে বর্তমান অবস্থান আদালতের সদয় বিবেচনার জন্য অনুরোধ জানাই।

সংবাদ সম্মেলনে আসামি মো. ইসতেয়াক হোসাইন রিফাতের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

রিসোর্টে দ্বন্দ্ব, প্রেমিকার ছুরিকাঘাতে প্রেমিক খুনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর
রিসোর্টে দ্বন্দ্ব, প্রেমিকার ছুরিকাঘাতে প্রেমিক খুনের অভিযোগ
সংগৃহীত ছবি

রেস্টুরেন্টে গিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন প্রেমিক-প্রেমিকা। এক পর্যায়ে ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারান প্রেমিক মো. আবদুল্লাহ। এ ঘটনায় আহত হন প্রেমিকা সুমা আক্তারও। মৃত আব্দুল্লাহর পরিবারের দাবি, প্রেমিকা সুমা আক্তার প্রেমিক আব্দুল্লাহকে খুন করেছেন। 

শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যার দিকে গাজীপুর মহানগরীর রাজেন্দ্রপুর এলাকার জঙ্গলের গল্প রিসোর্টের ভেতর এ ঘটনা ঘটে। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শনিবার সন্ধ্যার দিকে দুজন তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছুরিকাঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন আব্দুল্লাহ, আহত হন সুমাও। পরে সুমাকে উদ্ধার গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। আর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।

মৃত মো. আব্দুল্লাহ (২৬) গাজীপুর সদর উপজেলার পানিশাইল এলাকার অটোচালক শাহীন আলমের ছেলে। সুমা আক্তার (২০) একই উপজেলার পিরুজালী গ্রামের মো. সামসুদ্দিনের মেয়ে। তারা পরস্পর মামাতো-ফুফাতো ভাইবোন।

আব্দুল্লাহর খালাতো ভাই মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘সুমার আগেও একটি বিয়ে হয়েছিল। বর্তমানে তিনি স্থানীয় একটি সুপারশপে কাজ করতেন। আর মৃত আব্দুল্লাহ সৌদি আরব থাকতেন। তিন মাস এগে ছুটিতে বাড়িতে আসেন তিনি। ৫ দিন পর তার সৌদি ফিরে যাওয়ার কথা ছিল।’

করিম জানান, বাড়িতে আসার পর ফুফাতো বোন সুমার সঙ্গে আব্দুল্লাহর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে আব্দুল্লাহ জানতে পারেন কয়েক মাস আগে সুপারশপের এক সহকর্মীর সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিলেন তার প্রেমিকা। সুমা বিষয়টি অস্বীকার করে সৌদি ফিরে যাওয়ার আগেই বিয়ের জন্য আব্দুল্লাহকে চাপ দেন। কিন্তু বিয়েতে রাজি না হলে ২০-২৫ দিন আগে সুইচ গিয়ার চাকু বের করে আব্দুল্লাহকে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন সুমি। বিষয়টি আব্দুল্লাহ তার মা-বাবাকেও জানিয়েছিলেন। এর পর থেকেই সুমাকে এড়িয়ে চলতেন আব্দুল্লাহ।

আব্দুল্লাহর খালাতো ভাই আরো জানান, রবিবার সকালে মোবাইল ফোনে আব্দুল্লাহকে বাড়ি থেকে ডেকে নেন সুমা। সন্ধ্যায় আব্দুল্লাহ মৃত্যুর খবর পান তারা। ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের পাশে রক্তাক্ত সুইচ গিয়ার পড়ে থাকতে দেখেন। তার শরীরে একাধিক আঘাত এবং গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। পুলিশ আব্দুল্লাহর পরিবারকে জানিয়েছিল, আব্দুল্লাহ সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে সুমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে নিজের গলায় ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই মারা যান। আমাদের ধারণা, সুমি নিজের কাছে থাকা সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে আব্দুল্লাহকে হত্যা করে ঘটনার দায় এড়াতে নিজেই নিজের শরীরে আঘাত করেছেন। তা ছাড়া সুমির শরীরের আঘাত ততটা গুরুতর নয়।

নিহতের বাবা শাহীন আলম বলেন, ‘সুমা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে। কয়েক দিন আগেও সে একই চাকু বের করে আব্দুল্লাহকে হত্যার হুমকি দিয়েছিল। এ ঘটনায় সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি।’

গাজীপুর মহানগরীর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আব্দুল্লাহ সঙ্গে সুমার প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। শনিবার তারা জঙ্গলের গল্প রিসোর্টে ঘুরতে যান। সেখানে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য ও তর্কবিতর্ক সৃষ্টি হয়। এর পরই এই ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

আড়াই কেজির এক ইলিশ ১০ হাজারে বিক্রি

ভোলা প্রতিনিধি
আড়াই কেজির এক ইলিশ ১০ হাজারে বিক্রি
ছবি : কালের কণ্ঠ

ভোলার মনপুরা উপজেলার মেঘনা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ২ কেজি ৪০০ গ্রাম ওজনের একটি রাজা ইলিশ। নিলামে মাছটি ৯ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের মমিন তালুকদারের মৎস্য আড়তে ইলিশটি নিলামে তোলা হয়।

আড়তের মালিক মমিন তালুকদার জানান, বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের জেলে ইসমাইল মাঝিসহ কয়েকজন জেলে মনপুরার রামনেওয়াজসংলগ্ন মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে অন্যান্য ইলিশের সঙ্গে বড় আকৃতির এ রাজা ইলিশটি পান। পরে মাছটি তার আড়তে আনা হলে নিলামে সর্বোচ্চ ৯ হাজার ৩০০ টাকায় তিনি নিজেই এটি কিনে নেন।

তিনি আরো জানান, বরিশাল ও ঢাকার পাইকারি বাজারে বড় আকারের ইলিশের চাহিদা বেশি। মঙ্গলবার অন্যান্য মাছের সঙ্গে ইলিশটি ঢাকার যাত্রাবাড়ী মাছের আড়তে পাঠানো হবে। সেখানে এটি ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকায় বিক্রি হতে পারে বলে তিনি আশা করছেন।

রামনেওয়াজ মাছঘাটের ব্যাপারী মো. নাহিদ বলেন, উপস্থিত ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণে নিলামের মাধ্যমে মাছটি বিক্রি করা হয় এবং সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে মমিন তালুকদার এটি ক্রয় করেন।

মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বণিক জানান, গত কয়েক দিনে মনপুরার মেঘনা নদীতে বেশ কয়েকটি বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি পেলে সামনের দিনগুলোতে জেলেদের জালে আরো বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়বে।

সিলেটে হারানো ৬৮টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের ফিরিয়ে দিল পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
সিলেটে হারানো ৬৮টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের ফিরিয়ে দিল পুলিশ
পুরনো ছবি

সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) সাইবার ক্রাইম ইউনিট ও জিনিয়া টিমের উদ্যোগে উদ্ধার হওয়া ৬৮টি হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে সিলেট মহানগর পুলিশ সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী মোবাইল ফোনগুলো মালিকদের হাতে তুলে দেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, গত ২২ ফেব্রুয়ারি মোবাইল ফোন উদ্ধার টিম গঠনের পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ২৩০টি হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেনার ক্ষেত্রে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, পুরোনো মোবাইল ফোন কেনার আগে বিক্রেতার পরিচয়, প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র এবং ডিভাইসের আইএমইআই (IMEI) নম্বর অবশ্যই যাচাই করা উচিত।

তিনি আরো বলেন, যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কিনলে প্রতারণা বা আইনি জটিলতায় পড়ার আশঙ্কা থাকে।

৫০ হাজার থেকে পাঁচ লাখে মুক্তিযোদ্ধা! | কালের কণ্ঠ