পাবনার ঈশ্বরদীতে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনের মামলার বিচারাধীন অবস্থায় অভিযুক্তকে বিয়ে করেছেন বলে দাবি করেছেন মামলার বাদী। বিয়ের পরদিন আদালত অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠালে তিনি মামলাটি প্রত্যাহার এবং স্বামীর মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে পাবনা সাংবাদিক ইউনিয়নের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান মামলার বাদী জান্নাতুল ফেরদৌসী।
বাদী জান্নাতুল ফেরদৌসী পাবনার ঈশ্বরদী থানা এলাকার শৈলপাড়া গ্রামের জয়নাল আবেদনীনের মেয়ে।
লিখিত বক্তব্যে জান্নাতুল ফেরদৌসী বলেন, আমি গত ২০২৪ সালের ১২ নভম্বের চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানার শাহান শরীফ রিপনের ছেলে মো. ইসতেয়াক হোসাইন রিফাতের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করি। এর এফআইআর নং-১৭। উক্ত মামলায় প্রেমের সম্পর্কের জেরে আমাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ এবং ধর্ষণের ভিডিও ধারণের অভিযোগ দায়ের করেছিলাম। মামলাটি বর্তমানে পাবনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে।
তিনি বলেন, বিচারাধীন অবস্থায় উভয় পরিবারের সম্মতিতে এবং আমার স্বেচ্ছা সম্মতিতে গতকাল রবিবার পাবনা পৌর এলাকার ৬ নং ওয়ার্ডের বিবাহ ও তালাক নিবন্ধক মো. আব্দুল মজিদের মাধ্যমে আসামি মো. ইসতেয়াক হোসাইন রিফাতের সঙ্গে বৈধ বিবাহ সম্পন্ন করি। বিবাহে ৭ লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়েছে। এ সময় আমাদের উভয়ের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তিনি আরো বলেন, বিয়ের পরের দিন আজ সোমবার (২৯ জুন) উক্ত মামলায় আদালতে নিয়মিত হাজিরা দিতে আত্মসমর্পণ করলে মাননীয় আদালত আমার স্বামী মো. ইসতেয়াক হোসাইন রিফাতের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। এমতাবস্থায়, আমি আমার স্বামীর সঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও সুখী দাম্পত্য জীবনযাপন করতে ইচ্ছুক। আমি আদালতের নিকট বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, আমাদের মধ্যে পারিবারিক মীমাংসা হয়েছে এবং আমি আমার স্বামীর মুক্তি কামনা করছি।
আসামির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগসমূহের বিষয়ে আর অগ্রসর হতে ইচ্ছুক নই এবং এ বিষয়ে বর্তমান অবস্থান আদালতের সদয় বিবেচনার জন্য অনুরোধ জানাই।
সংবাদ সম্মেলনে আসামি মো. ইসতেয়াক হোসাইন রিফাতের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।





