kalerkantho

বুধবার । ৮ বৈশাখ ১৪২৮। ২১ এপ্রিল ২০২১। ৮ রমজান ১৪৪২

নাম খারিজ আটকে আছে মাসের পর মাস

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি   

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:২০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নাম খারিজ আটকে আছে মাসের পর মাস

হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন মো. মোস্তাক আহমেদ। যে কারণে ২০২০ সালের ১ জুলাই সাড়ে ১০ শতক জায়গা নাম খারিজের আবেদন করেন। সদর ইউনিয়ন ভূমিসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তাকে এ জন্য টাকাও দেন। ওই কর্মকর্তা তিন-চার মাস ঘুরিয়ে কাজ করতে না পেরে টাকা ফেরত দেন। চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (রাজস্ব) কাছে আবেদন করেন।

কিন্তু এখনও সুরাহা না হওয়ায় মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নিজের দাবি কথা তুলে ধরেন মোস্তাক আহমেদ। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে বুধবার হওয়া মানববন্ধনে তিনি অংশ নেন। ওই মানববন্ধনে অংশ নেওয়া আরো অনেকেই নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত ৪৫ দিনের মধ্যে নাম খারিজ হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন। 

মানববন্ধন চলাকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আরিফুল হক মৃদুল ঘটনাস্থলে এসে বিষয়টি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। পরে তিনি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের বিষয়ে আলোচনা করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত এক-দেড় বছর ধরে নাম খারিজের আবেদনের নিষ্পতিতে দীর্ঘসূত্রিতা সরাইলের অতীতের সকল রেকর্ডকে পেছনে ফেলেছে। সরাইলে গত দেড় বছরেরও অধিক সময় ধরে খারিজে ধীরগতি। মাঝখানে দুই মাস নাম খারিজ একেবারেই বন্ধ থাকে। ফলে আটকে গেছে জায়গা জমি ক্রয়-বিক্রয়। মানুষের অনেক সমস্যা হচ্ছে। ঋণ পরিশোধ, জরুরি চিকিৎসা, বিদেশ যাওয়া, বিয়ে-শাদি, ছেলে-মেয়ের স্কুলের বেতন প্রদান ও ব্যবসা-বাণিজ্য আটকে যাচ্ছে। এসব নিয়ে কথা বলতে গেলে অনেক সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি খারাপ আচরণও করেন।

মানববন্ধনের খবর পেয়ে ইউএনও মো. আরিফুল হক মৃদুল ছুটে আসেন। পরে সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের অফিস কক্ষে সবাইকে নিয়ে আলোচনায় বসে। ইউএনও এ সময় খারিজের আবেদনের বিভিন্ন ক্রুটি তুলে ধরেন। পাশাপাশি সঠিকভাবে আবেদন করার পদ্ধতি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে সহস্রাধিক আবেদন ঝুলে আছে- এমন বিষয়টি তিনি অবগত নন বলে জানান এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা