kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৯ ফাল্গুন ১৪২৭। ৪ মার্চ ২০২১। ১৯ রজব ১৪৪২

স্বাক্ষর-সিলমোহর জালিয়াতি

জাবি ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতিকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:১৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জাবি ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতিকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিখা পিরেগুকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ৪৪তম ব্যাচের (২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষ) এবং মীর মশাররফ হোসেন হলের আবিসিক শিক্ষার্থী। 

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ কালের কণ্ঠকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

রহিমা কানিজ স্বাক্ষরিত এসংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ কালের কণ্ঠের হাতে এসে পৌঁছেছে। এতে বলা হয়েছে, গত বছরের ১৮ নভেম্বর ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের বিশেষ সভায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য শৃঙ্খলাসংক্রান্ত অধ্যাদেশ ২০১৮ এর ৩ (২) (ক) ধারা অনুযায়ী তারিখ থেকে মিখা পিরেগুকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হলো। বিশেষ পরীক্ষার অনুমতির জন্য আবেদনপত্রে বিভাগীয় সভাপতির স্বাক্ষর ও সীলমোহর জালিয়াতির অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটি এবং কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে বহিষ্কার করা হয়।

মিখা পিরেগু এ বিষয়ে বলেন, ২০১৭ সালে আমি একটি বিশেষ পরীক্ষার জন্য বিভাগীয় সভাপতির সিল ও স্বাক্ষরসহ আবেদন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককে জমা দিয়েছিলাম। বিভাগ থেকে মিটিং করেই এটা অনুমোদন করেছিল। কিন্তু উপাচার্য অফিস থেকে কোনো কারণ ছাড়াই এটি পারমিট না করায় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক থেকে আমাকে আবার আবেদন করতে বলা হয়। শীতকালীন ছুটির কারণে ক্যাম্পাস বন্ধ ছিল বলে আমি প্রথমবার জমা দেওয়া মূল কপির ফটোকপি জমা দিয়েছিলাম। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের বিপক্ষে আমি রিভিউ আবেদন করেছি। রিভিউপ্রক্রিয়া চলমান।

ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক দীপক শীল বলেন, ছাত্র ইউনিয়ন কখনই কোনো অনৈতিকতাকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয় না। তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠা লজ্জার। আমরা অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে কেন্দ্রীয় সভায় আলোচনা করব। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মার্কেটিং বিভাগের সভাপতি মো. কাশেদুল ওহাব তুহিন বলেন, আমি ওই সময় বিভাগের সভাপতি ছিলাম না। তবে যতটুকু শুনেছি বিভাগ থেকে তার আবেদনপত্রটি স্থানান্তর করা হলেও উপাচার্যের ফাইনাল অনুমোদনের সময় বাতিল হয়ে যায়। ওনাকে আবার আবেদন দিতে বলা হলে তিনি যে আবেদনটি করেন সেটা বিভাগের সুপারশি ছাড়াই। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককে ওই আবেদনপত্রে উনি যে তারিখ দিয়েছেন ওই তারিখে বিভাগের তৎকালীন সভাপতি (নাঈমা আহমেদ) ছুটিতে ছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা