kalerkantho

সোমবার । ১৬ ফাল্গুন ১৪২৭। ১ মার্চ ২০২১। ১৬ রজব ১৪৪২

উপজেলায় ৪০৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শহীদ মিনারহীন ২০৬

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৭:২৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



উপজেলায় ৪০৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শহীদ মিনারহীন ২০৬

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার ৪০৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২০৬টিতেই শহীদ মিনার নেই। ফলে মহান ভাষা দিবসের দিন এলাকার হাজারো শিক্ষার্থী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। পাশাপাশি এ প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা ভাষা আন্দোলনের সঠিক ইতিহাস থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে। 

জানা গেছে, এ উপজেলায় ১৯৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১০১টি কিন্ডারগার্টেন, ৩৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৬৫টি মাদরাসা ও সাতটি কলেজসহ মোট ৪০৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এরমধ্যে ১৯৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১২টিতে শহীদ মিনার নেই। ৩৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২৪টিতে শহীদ মিনার নেই। সাত কলেজের মধ্যে তিনটিতে শহীদ মিনার নেই। অপরদিকে ১০১টি কিন্ডারগার্টেন ও ৬৫টি মাদরাসায় এখনও কোনো শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়নি। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভাষা দিবস উদযাপন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা আশপাশের বিদ্যালয় গুলোতে গিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে হচ্ছে।

হোসেন্দী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী অনয় বলে, আমাদের বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার না থাকায় প্রতিবছর আমরা হোসেন্দী ডিগ্রি কলেজের শহীদ মিনারে গিয়ে ২১শে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করি। 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রায় সবগুলো প্রাথমিক বিদ্যালয়েই শহীদ মিনার নির্মাণ কাজ গত বছর শেষ হয়েছে। যে ১০-১২টি বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই সেগুলোতে নতুন ভবন নির্মাণ কাজ চলছে। বিধায় শহীদ মিনার নির্মাণ সম্ভব হয়নি। ভবন নির্মাণ কাজ শেষে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হবে। 

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রতিটি বিদ্যালয়েই শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আবারো রিমাইন্ডার দেওয়া হবে। 

পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসান বলেন, মহান ভাষা আন্দোলনের ৬৮ বছরেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শহীদ মিনার না থাকাটা লজ্জাজনক। শহীদ মিনার নির্মাণের ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা কমিটির ভূমিকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাদের স্বদিচ্ছা থাকলেই শহীদ মিনার নির্মাণ করা সম্ভব। তবে অতি দ্রুত শহীদ মিনার নির্মানের জন্য আবারো নিদের্শনা দেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা