kalerkantho

শুক্রবার । ১৩ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৩ রজব ১৪৪২

মাতারবাড়িতে এনজিও প্রতিষ্ঠানে গোপনে কাজ করতেন ৯ রোহিঙ্গা, অতঃপর...

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার    

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১১:০৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাতারবাড়িতে এনজিও প্রতিষ্ঠানে গোপনে কাজ করতেন ৯ রোহিঙ্গা, অতঃপর...

কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়িতে এসিএফ এনজিওর অধীনে আলী কন্সট্রাকশন নামে এক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাজে নিয়োজিত ৯ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন শিবির থেকে গোপনে বের হয়ে এসব রোহিঙ্গা মাতারবাড়ি প্রকল্পের কাজে লেগে পড়েন। গতকাল শনিবার তাদের স্থানীয় গ্রামপুলিশের সহয়তায় আটক করেছেন মাতারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাস্টার মোহাম্মদ উল্লাহ। 

জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় মাতারবাড়ি নতুন বাজার ও বাংলাবাজার থেকে তাদেরকে আটক করে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসা হয়। আটক রোহিঙ্গারা হলেন, নজিম উল্লাহ (২৩), হামিদ হোসেন (৫৫), লাল মোহাম্মদ (২৭), নুর আলম (৩০), এরশাদুল্লাহ (২৮), কেফায়েত উল্লাহ, খায়রুল আমিন (২৫), জিয়াবুল হোসেন (১৬) ও জফুর উল্লাহ (২১)। তারা বিভিন্ন শিবিরের রোহিঙ্গা। 

জানা গেছে, আন্তর্জাতিক এনজিও সংস্থা এসিএফ এর ওয়াশ প্রজেক্টে প্রায় দুই মাস ধরে তারা গোপনে কাজ করছিলেন। এদিকে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে মেসার্স আলী কন্সট্রাকশনের মোহাম্মদ আলী ও এসিএফ'র ম্যানেজার লজিস্টিক দিদারুল ইসলাম পরস্পর পরস্পরকে দোষারোপ করতে থাকেন। 

এ বিষয়ে মাতারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ উল্লাহ জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে চৌকিদার ও স্থানীয় সংবাদকর্মী রকিয়তের সহযোগিতায় তাদেরকে আটক করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও এসিএফ-এ কর্মরত ৪ জন বাংলাদেশি কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় পাঠানো হয়েছে। আটক রোহিঙ্গাদের মাতারবাড়ি পুলিশ ক্যাম্পে হস্তান্তর করা হয়েছে। 

মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) মাহফুজুর রহমান জানান, আটক ৯ রোহিঙ্গাকে পুলিশের হাতে তুলে দিতে এবং এ ঘটনার নেপথ্যে কারা জড়িত তা খুঁজে বের করতে মাতারবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা