• ই-পেপার

সরকারি পাকা ঘর পেয়ে খুশিতে আত্মহারা প্রতিবন্ধী ভিক্ষুক, তবুও দুশ্চিন্তা...

থানচির থুইসাপাড়ায় আটকা পড়া ৪ পর্যটককে উদ্ধার করল বিজিবি

১০ দিনে উদ্ধার ১২০ পর্যটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান
থানচির থুইসাপাড়ায় আটকা পড়া ৪ পর্যটককে উদ্ধার করল বিজিবি
বান্দরবানের খাড়াই পাহাড়, ভয়ংকর খরস্রোতা নদী, পাথুরে ছড়া এবং গভীর ও দুর্গম বনাঞ্চল পাড়ি দিয়ে থানচির থুইসাপাড়া এলাকায় আটকা পড়া আটকা পড়া পর্যটকদের উদ্ধার করে নিরাপদে নিয়ে আসছেন বিজিবির সদস্যরা।

খাড়াই পাহাড়, ভয়ংকর খরস্রোতা নদী, পাথুরে ঝিরি আর গভীর দুর্গম বনাঞ্চল পাড়ি দিয়ে টানা ৪৮ ঘণ্টার দুঃসাহসিক অভিযানে বান্দরবানের থানচি উপজেলার থুইসাপাড়ায় আটকা পড়া ৪ পর্যটককে নিরাপদে উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে পরিচালিত এই উদ্ধার অভিযান স্থানীয়দের কাছেও প্রশংসিত হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া চার পর্যটক হলেন, ঢাকার সূত্রাপুর থানার বাসিন্দা মো. মারুফ উদ্দিন, আবু হুরায়রা জাদিম, তামিম রায়হান সৌরভ এবং শ্যামপুর থানার বাসিন্দা মাহাদি আল মাহবুব। তাদের মধ্যে তামিম রায়হান সৌরভ নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী এবং অন্য তিনজন এসএসসি পাস করে কলেজে ভর্তি হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

একই সঙ্গে গত ১০ দিনের টানা বর্ষণে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢল, ভূমিধস, পাহাড়ধস ও সড়ক বিচ্ছিন্নতার কারণে থানচির নাফাখুম, অমিয়াখুমসহ বিভিন্ন পর্যটন এলাকা এবং দুর্গম পাহাড়ি পাড়ায় আটকা পড়া মোট ১২০ জন পর্যটককে উদ্ধার করেছে বিজিবি। এছাড়া ৬ শতাধিক দুর্গত মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া, ত্রাণ বিতরণ এবং চিকিৎসাসেবাও প্রদান করেছে বাহিনীটি।

বিজিবি সূত্র জানায়, গত ৪ জুলাই অমিয়াখুম ভ্রমণের উদ্দেশ্যে চার পর্যটক থানচির থুইসাপাড়ায় যান। কিন্তু ৭ জুলাই থেকে শুরু হওয়া টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং নদীর পানির উচ্চতা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় নৌপথ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে তারা থুইসাপাড়ায় আটকা পড়েন।

পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার প্রেক্ষিতে ১১ জুলাই আনুষ্ঠানিক উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। বিজিবির সদস্যরা চার পর্যটককে সঙ্গে নিয়ে থুইসাপাড়া থেকে বিকল্প দুর্গম পাহাড়ি পথ ধরে জিন্নাপাড়া, হালিরামপাড়া ও নিকোলাসপাড়া অতিক্রম করে ঝিরি ও পাহাড়ি পথ পেরিয়ে অংসাউপাড়া এলাকায় পৌঁছান। পথে একাধিক পাহাড়ধস, ঝিরিতে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি, প্রবল স্রোত এবং দিনব্যাপী বৃষ্টির কারণে সেদিন সীমান্ত সড়ক পর্যন্ত পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। পরে অংসাউপাড়ায় বিজিবির তত্ত্বাবধানে পর্যটকদের নিরাপদে রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা করা হয়।

রবিবার (১২ জুলাই) সকালে অংসাউপাড়া ক্যাম্প থেকে বিজিবির আরেকটি দল অভিযানে যুক্ত হয়। প্রায় ৪ ঘণ্টা দুর্গম পাহাড়ি পথ ও পাথুরে ঝিরি অতিক্রম করে তারা সীমান্ত সড়কসংলগ্ন নেপিউপাড়া বিওপিতে পৌঁছান। সেখান থেকে বিজিবির গাড়িতে করে ৪ পর্যটককে নিরাপদে থানচিতে ফিরিয়ে আনা হয়।

খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি)-এর অধীন জিন্নাপাড়া ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে থুইসাপাড়ায় পৌঁছে পর্যটকদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় কারবারিদের সহযোগিতায় থাকা-খাওয়া ও প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়। পুরো সময়জুড়ে বিজিবি সদস্যরা তাদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।

পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় ১১ জুলাই আনুষ্ঠানিক উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। বিজিবির সদস্যরা চার পর্যটককে সঙ্গে নিয়ে থুইসাপাড়া থেকে বিকল্প দুর্গম পাহাড়ি পথ ধরে জিন্নাপাড়া, হালিরামপাড়া ও নিকোলাসপাড়া অতিক্রম করে ঝিরি ও পাহাড়ি পথ পেরিয়ে অংসাউপাড়ায় পৌঁছান। তবে পথে একাধিক পাহাড়ধস, ঝিরিতে পানির তীব্র স্রোত, পানি বৃদ্ধি এবং সারাদিনের বৃষ্টির কারণে সেদিন সীমান্ত সড়কে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। পরে অংসাউপাড়া বিজিবি ক্যাম্পের তত্ত্বাবধানে পর্যটকদের নিরাপদে রাতযাপনের ব্যবস্থা করা হয়।

উদ্ধার হওয়া পর্যটকরা জানান, থুইসাপাড়ায় আটকা পড়ার পর থেকেই বিজিবি তাদের নিরাপত্তা, খাদ্য ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে। পরে জীবনবাজি রেখে দুর্গম পাহাড়ি পথ অতিক্রম করে বিজিবির সদস্যরা তাদের নিরাপদে উদ্ধার করেন। উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যদের পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও মানবিক ভূমিকার জন্য তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বান্দরবান সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল রুবায়াত জামিল বলেন, ‘সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও বিজিবির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। যেকোনো দুর্যোগ, দুর্ঘটনা কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে থেকে দ্রুত ও কার্যকর সহায়তা দিতে বিজিবি সবসময় প্রস্তুত রয়েছে।’

তিনি জানান, সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতিতে বান্দরবানের বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় বিজিবি ১১৬ জন পর্যটকসহ ৬ শতাধিক মানুষকে উদ্ধার করেছে। এছাড়া দুর্গত মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ এবং অন্তত ৪৮ জনকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে।

টানা বর্ষণে দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়লেও বিজিবির ধারাবাহিক উদ্ধার তৎপরতায় আটকা পড়া পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও প্রয়োজন ছাড়া বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে পাহাড়ি পর্যটন এলাকায় ভ্রমণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পাঁচবিবিতে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি
পাঁচবিবিতে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

জয়পুরহাট পাঁচবিবিতে বজ্রপাতে রাশেদুল ইসলাম (২৩) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (১২ জুলাই) রাত ৮টার দিকে উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের বাশখুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রাশেদ ওই গ্রামে মোজাফ্ফর রহমানের ছেলে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য ফরিদুল ইসলাম তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

স্থানীয়রা জানান, রবিবার রাত ৮টার দিকে শালাইপুর বাজার থেকে রাশেদ মাঠের মধ্য দিয়ে নিজ বাড়িতে ফেরার সময় বজ্রপাতে গুরুতর আহত হয়।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বাড়ির পাশে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি
বাড়ির পাশে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

ঢাকার দোহার উপজেলার রাইপাড়া মিস্ত্রিপাড়া এলাকায় বাড়ির উঠানের পাশে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে ডুবে মো. রাফি (৫) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রাফি ওই এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বিকেল থেকে রাফিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। স্বজনরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। মাগরিবের আগে বাড়ির পাশের জমে থাকা পানিতে রাফির একটি জুতা ভাসতে দেখে তাদের সন্দেহ হয়। পরে সেখানে খোঁজাখুঁজি করে পানির নিচ থেকে রাফিকে উদ্ধার করা হয়।

গুরুতর অবস্থায় তাকে দ্রুত দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শিশুর আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে শোকের মাতম নেমে এসেছে। প্রতিবেশীরাও এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। 

শিক্ষার্থীকে দিয়ে এসএসসির উত্তরপত্র মূল্যায়ন : সেই শিক্ষক ও শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

দেবীদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
শিক্ষার্থীকে দিয়ে এসএসসির উত্তরপত্র মূল্যায়ন : সেই শিক্ষক ও শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার
গ্রেপ্তার প্রধান শিক্ষক মো. বাচ্চু মিয়া ও শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান (বাঁ দিক থেকে)। সংগৃহীত ছবি

এসএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র নিজে মূল্যায়ন না করে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে দিয়ে মূল্যায়নের ঘটনায় কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার হাজী আমির উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. বাচ্চু মিয়া (৫৫) ও ওই শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানকে (১৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়।

এর আগে শনিবার (১১ জুলাই) কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) পাপিয়া আক্তার দেবীদ্বার থানায় বাচ্চু মিয়া ও শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ‘পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) আইন, ১৯৮০’-এর ১০, ১২ ও ১৩ ধারায় মামলা করা হয়।

রবিবার বিকেলে দেবীদ্বার থানায় আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে দেবীদ্বার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. শাহীন জানান, পুলিশ সুপারের নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও দেবীদ্বার থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে আব্দুল্লাহপুর হাজী আমির উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. বাচ্চু মিয়া এবং শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) আইন অনুযায়ী পরীক্ষা-সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, অননুমোদিত ব্যক্তি এবং অপরাধে সহায়তাকারীদের শাস্তির বিধান রয়েছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে অনিয়ম রোধে এ ঘটনা শিক্ষক সমাজের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হবে।

কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এ ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক এবং শিক্ষক সমাজের জন‍্য কলঙ্কজনক। যিনি এ গর্হিত কাজটি করেছেন তিনি তার দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছেন। এ জাতীয় কাজের যেন আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে জন‍্য গোটা শিক্ষক সমাজের জন‍্য সতর্কতা মূলক ‘পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) আইন, ১৯৮০’ এর ধারা ১০, ১২ এবং ১৩ ধারায় ফৌজদারি আইনে এ মামলা রুজু করা হয়। যে মামলাটি বাংলাদেশে প্রথম। যদিও এ আইনটি আগেও ছিল কিন্তু কার্যকর হয়নি, বোর্ড কর্তৃপক্ষ তার নিজস্ব পাবলিক পরীক্ষার অপরাধ আইনে সাজা প্রদান করত।’

তিনি আরো জানান, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সব শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তা এবং পরীক্ষকদের সতর্ক করে বলেছেন, ‘দেবীদ্বারে এক শিক্ষক তার খাতা দেখাচ্ছিলেন ছাত্রকে দিয়ে, গতকাল রাত ২টায় তাকে অ্যারেস্ট করা হয়েছে। তার মানে একটি অপকর্মও আমরা ছাড় দেব না। প্রত্যেকটি ঘটনা আমরা মনিটর করছি।’

এ বিষয়ে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. ইমাম হাসান বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা মামলার অভিযোগে বর্ণিত ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। রবিবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়। এ মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

প্রসঙ্গত, গত ২৩ জুন হাজী আমির উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের সময় দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে নম্বর দিতে দেখা যায়। আরেক শিক্ষার্থীর ধারণ করা সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। পরে শিক্ষা বোর্ড তদন্ত শেষে মামলা করলে শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সরকারি পাকা ঘর পেয়ে খুশিতে আত্মহারা প্রতিবন্ধী ভিক্ষুক, তবুও দুশ্চিন্তা... | কালের কণ্ঠ