kalerkantho

রবিবার । ১৫ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৫ রজব ১৪৪২

শিবপুরে নার্সকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

মদনের ঘটনায় মামলা গোয়ালন্দে গ্রেপ্তার ১

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৯ জানুয়ারি, ২০২১ ০৩:১৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শিবপুরে নার্সকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার আশুতিয়া এলাকায় এক নার্সকে (২০) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার ভিডিও চিত্রও ধারণ করেছে অভিযুক্তরা। গত মঙ্গলবার রাতের এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এদিকে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে এক কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে তার সত্বাবা গ্রেপ্তার হয়েছেন। নেত্রকোনার মদনে বড় বোনকে বিয়ে না দেওয়ায় ছোট বোনকে ‘ধর্ষণের’ ঘটনায় মামলা হয়েছে।

শিবপুরের ঘটনায় গত বুধবার রাতে দুজনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতপরিচয় দুজনকে আসামি করে শিবপুর মডেল থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী নার্সের (তরুণী) বাবা। তাঁদের মধ্যে দুই আসামি হলেন শিবপুরের মজলিশপুর এলাকার তারা ভূইয়ার ছেলে হারুন ভূইয়া (২০) এবং একই এলাকার মতিন কমান্ডারের ছেলে মনির ভূইয়া (২০)। মনির গ্রেপ্তার হয়েছেন।

ভুক্তভোগীর পরিবার ও পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী তরুণী নরসিংদীর একটি হাসপাতালের নার্স। চাকরির সুবাদে তিনি নরসিংদীতেই থাকেন। গত মঙ্গলবার সকালে তাঁর বাবা ও ছোট বোন পার্শ্ববর্তী গ্রামে অত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যান। সন্ধ্যায় অভিযুক্ত হারুন ভূইয়া তাঁর ব্যবহূত মোবাইল ফোন থেকে তরুণীকে ফোন করে বলেন, তাঁর (তরুণী) ছোট বোনকে নিয়ে একটু ঝামেলা হয়েছে, তিনি যেন দ্রুত আসেন। তখন তিনি ছোট বোনের নম্বরে ফোন করলেও যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হয়ে রাতেই বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। রাত পৌনে ১০টার দিকে তিনি মজলিশপুরে পৌঁছেন। এ সময় অন্য অভিযুক্ত মনির ভূইয়া তাঁকে ছোট বোনের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে আশুতিয়ার একটি কলাক্ষেতে নিয়ে যান। সেখানে অভিযুক্ত হারুন, মনির ও অজ্ঞাতপরিচয় দুজন তাঁকে ধর্ষণ ও ভিডিও করেন। পরে অজ্ঞাতপরিচয় দুজন চলে গেলে হারুন ও মনির তরুণীর আত্মীয়কে ফোনে জানান, তরুণী অসুস্থ অবস্থায় কলাক্ষেতে পড়ে আছেন। খবর পেয়ে আত্মীয় ও ছোট বোন দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে তাঁকে বাড়িতে নিয়ে যান।

শিবপুর মডেল থানার ওসি মোল্লা আজিজুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার মনির ভূইয়া ধর্ষণের ঘটনায় তাঁর সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

গোয়ালন্দে অভিযুক্ত ব্যক্তির (৪৭) বাড়ি গোয়ালন্দ পৌর এলাকায়। গত বুধবার বিকেলের এ ঘটনায় ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর (১৪) মা এদিন রাতে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর বলেন, ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষা করাতে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে এবং গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মদন উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের রুদ্রশ্রী গ্রামের সমুজ আলীর ছেলে জাকিম মিয়াকে (২২) আসামি করে ভুক্তভোগী মেয়েটির (১০) বাবা গত বুধবার রাতে মদন থানায় মামলাটি করেন। মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গতকাল নেত্রকোনার আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মদন থানার ওসি মাসুদুজ্জামান জানান, আসামিকে প্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

 

[প্রতিবেদনটি তৈরিতে তথ্য দিয়েছেন নরসিংদী, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) ও মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা