kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৭ ফাল্গুন ১৪২৭। ২ মার্চ ২০২১। ১৭ রজব ১৪৪২

চসিক নির্বাচন

নৌকা ৩৬৯২৪৮, ধানের শীষ ৫২৪৮৯

অনলাইন ডেস্ক   

২৮ জানুয়ারি, ২০২১ ০৭:৫২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নৌকা ৩৬৯২৪৮, ধানের শীষ ৫২৪৮৯

রেজাউল করিম চৌধুরী ও ডা. শাহাদাত হোসেন। ফাইল ছবি

বিএনপি প্রার্থীকে তিন লাখেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে আগামী পাঁচ বছরের জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী। তিনি ৩ লাখ ৬৯ হাজার ২৮৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ডা. শাহাদাত হোসেন পেয়েছেন ৫২ হাজার ৪২৯ ভোট। নির্বাচন ভোট পড়েছে ২২ দশমিক ৫২ শতাংশ।

বুধবার (২৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১টা ৩৪ মিনিটে চট্টগ্রাম এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম থেকে এ ফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার মো. হাসানুজ্জামান। মোট ৭৩৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৭৩৩টি কেন্দ্রের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। সংঘর্ষের কারণে বাকি দুটি কেন্দ্রের ফল স্থগিত রয়েছে।

ভোট শেষে রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, ‘আমরা জনগণের রায়ে বিশ্বাস  করি, আস্থা রাখি। তবে নির্বিঘ্নে ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিয়েছেন।’

অন্যদিকে দুপুরে এজেন্ট বের করে দেওয়ার পাশাপাশি ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন বিএনপির প্রার্থী। ভোট গ্রহণ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, ‘চট্টগ্রামে কোনো নির্বাচনই হয়নি। নির্বাচনের নামে হামলা, খুন ও সহিংসতা হয়েছে। নির্বাচনই যখন হয়নি সেখানে ভোট বর্জন কিংবা প্রত্যাখ্যানের প্রশ্নই আসে না।’

গতকাল দফায় দফায় সংঘর্ষ-সহিংসতা, গোলাগুলি, ককটেল বিস্ফোরণ, প্রাণহানি ও ভোট বর্জনের মধ্য দিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন চলাকালে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, ৫টি ইভিএম ও পুলিশ-নির্বাচনী কর্মকর্তাদের ৩টি মিনিবাস ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। আমবাগান এলাকায় ভোট কেন্দ্রের বাইরে গুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া নির্বাচন চলাকালে পাহাড়তলীতে আরো একজনের মৃত্যু হলেও পুলিশ বলছে, এটা পারিবারিক সংঘাতের মৃত্যু। সংঘর্ষের কারণে পাথরঘাটা বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের দুই কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ বন্ধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আটক করা হয়েছে আওয়ামী লীগের একজন বিদ্রোহী এবং বিএনপি সমর্থিত একজন কাউন্সিলর প্রার্থীকে।

এ সিটির নির্বাচনে মূল লড়াইয়ে ছিলেন আওয়ামী লীগ-বিএনপির দুই মেয়র প্রার্থী। তবে মেয়র পদে প্রধান দুই দলের দুই প্রার্থীসহ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন সাতজন। ৪১টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১৭২ জন ও ১৪টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৫৭ জন কাউন্সিলর প্রার্থী। এবার নগরীর ৭৩৫টি কেন্দ্রের ৪ হাজার ৮৮৬টি বুথে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট হয়েছে। ১৯ লাখ ৩৮ হাজার ৭০৬ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ৯ লাখ ৯২ হাজার ৩৩ জন এবং নারী ৯ লাখ ৪৬ হাজার ৬৭৩ জন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা