kalerkantho

শনিবার । ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৪ রজব ১৪৪২

বন্ধ ওয়াশিং কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে কেরানীগঞ্জে মানববন্ধন

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি   

২৮ জানুয়ারি, ২০২১ ০১:১০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বন্ধ ওয়াশিং কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে কেরানীগঞ্জে মানববন্ধন

পরিবেশ অধিদপ্তর বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে কেরানীগঞ্জের ওয়াশিং কারখানা বন্ধ করে দেয়। এতে করে প্রায় শতাধিক ওয়াশিং কারখানার ১০ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ওয়াশিং কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে কেরানীগঞ্জের কদমতলীর বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম চত্বর এলাকার মূল সড়কের একাংশে মানববন্ধন করেছে ওয়াশিং কারখানা মালিক- শ্রমিকরা। বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় ওয়াশিং কারখানা মালিক সমবায় সমিতির ৫ দফা দাবিতে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচিতে কয়েক হাজার মালিক-শ্রমিক অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় উপস্থিত সকলের পক্ষে সাংবাদিকদের সামনে দাবি পেশ করেন সমিতির সভাপতি কাজী আবু সোহেল কাজল তিনি বলেন, আমরা শিল্প জোনে ৫০০ কাঠা জমি ক্রয় করেছি, সেখানে গ্যাস, বিদ্যুৎ, স্যুয়ারেজ লাইন, রাস্তা, ইটিপিসহ সকল সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। শিল্প জোনে স্থানান্তর হওয়ার আগে ফ্যাক্টরিগুলো খোলা রাখা ও সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ প্রদানসহ মোট ৫ দফা দাবি তুলে ধরেন এবং বর্তমানে যে সকল কারখানাগুলো বন্ধ করা হয়েছে পুনরায় তা চালু করার আহবান জানান কর্তৃপক্ষের কাছে। 

এ মানববন্ধনে উপস্থিত ওয়াশিং কারখানার মালিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক সোহেল রেজা বলেন, বর্তমানে ছোট বড় মাঝারি মোট ৮১টি ওয়াশিং কারখানা রয়েছে। যেখানে প্রত্যক্ষভাবে ২৫ হাজার শ্রমিক ও ১০ হাজার গার্মেন্ট, লন্ড্রি, কম্পিউটার অ্যামব্রয়ডারি ও নানা ধরনের শিল্প কারখানায় সম্পৃক্ত ৩ লাখ মানুষের কর্ম সংস্থান হয়। বর্তমানে ওয়াশিং কারখানাগুলো বন্ধ থাকার কারণে প্রায় ২৫ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে। আমাদের ক্রয়কৃত ৫০০ কাঠা জমিতে সরকারি সহযোগিতায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানাই। শিল্প জোনে ক্রয়কৃত জায়গায় মাটি ভরাটের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। এখন বিদ্যুৎ গ্যাস ইটিপি স্যুয়ারেজ লাইন প্রয়োজন। যত তারাতাড়ি এসব কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে আমরা তত তাড়াতাড়ি আবাসিক এলাকা থেকে এ কারখানাগুলো সরিয়ে নিতে পারব।

পশ্চিম আগানগর গার্মেন্ট মালিক সমিতির সহসভাপতি মো. আবু সালাম বলেন, ওয়াশিং কারখানার সঙ্গে আমাদের গার্মেন্ট ব্যবসায়ীরা জড়িত। আমরা প্যান্ট তৈরি করে যদি ওয়াস করতে না পারি তাহলে আমাদের মাল তৈরি করে কোনো লাভ হবে না। ওয়াস ছাড়া একটি প্যান্টও বিক্রি করা যাবে না। এই ওয়াস কারখানাগুলোর সঙ্গে কেরানীগঞ্জে গার্মেন্ট পল্লী খ্যাত সকল ব্যবসায়ী ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আমাদের এই শিল্পটিকে না মেরে বাঁচিয়ে রাখার অনুরোধ করছি কর্তৃপক্ষের কাছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা