kalerkantho

শনিবার । ২১ ফাল্গুন ১৪২৭। ৬ মার্চ ২০২১। ২১ রজব ১৪৪২

তালায় 'সমলয় পদ্ধতিতে' ধান চাষাবাদের কার্যক্রমের উদ্বোধন

তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি   

২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৩:২০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



তালায় 'সমলয় পদ্ধতিতে' ধান চাষাবাদের কার্যক্রমের উদ্বোধন

সাতক্ষীরার তালায় আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্বল্প সময়ে অধিক ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে রবি ২০২০-২১ অর্থবছরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ৫০ একর জমি নিয়ে শুরু হয়েছে হাইব্রিড তেজগোল্ড বোরো ধানের সমলয় চাষাবাদ।

উপজেলা কৃষি বিভাগের আয়োজনে গতকাল মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের মির্জাপুর ব্লকের মাহমুদপুর বিলে সমলয় চাষাবাদের ব্লক প্রদর্শনীর চারা রোপন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. তানজিল্লুর রহমান। 

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শুভ্রাংশু শেখর দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নূরুল ইসলাম, তালা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, তালা উপজেলা কৃষি অফিসার হাজিরা বেগম, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু, তালা উপজেলা পরিষদেরভাইস চেয়ারম্যান সরদার মশিয়ার রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মুরশিদা পারভীন পাপড়ী, মুক্তিযোদ্ধা কলেজের অধ্যক্ষ এনামুল হক প্রমুখ। 

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মানুষ বাড়লেও বাড়ছে না কৃষিজমি। তাই স্বল্প জমিতে অধিক ধান উৎপাদন করে মানুষের খাদ্য চাহিদা পূরণ করতে হবে- কৃষি মন্ত্রণালয়ের এমন নির্দেশনায় তালা উপজেলায় প্রথমবারের মতো উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে সমলয় পদ্ধতিতে বোরো ধান চাষাবাদ শুরু করা হয়েছে। এ পদ্ধতিতে বোরো আবাদে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, শ্রমিক সংকট নিরসন, উৎপাদন খরচ কম এবং স্বল্প সময়ে অধিক ফসল উৎপাদনে কৃষকরা লাভবান হবেন এমনটাই আশাবাদব্যক্ত করেন বক্তরা। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রায় দু'শতাধিক কিষাণ-কিষাণীর উপস্থিতি ছিলেন।

মাহমুদপুর গ্রামের কৃষক আঃ আওয়াল কালের কণ্ঠকে  জানান, সমলয়ে চাষাবাদে মাধ্যমে আগে কখনও বোরো ধান রোপন করা হয়নি। স্থানীয় কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগিতায় এই প্রথমে রোপন করা হচ্ছে। কৃষি বিভাগের পরিকল্পনা অনুযায়ী সমলয় চাষাবাদে ভালো ফলন পাওয়া আশা করছেন তিনি। 

প্রসঙ্গত, সমলয় চাষাবাদে সনাতন পদ্ধতিতে বীজতলা তৈরি না করে প্লাস্টিকের ফ্রেম বা ট্রেতে বীজ বপন করা হয়েছে। এতে ৩:২ অনুপাতে মাটি ও গোবরের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়। এরপর বীজ ছিটিয়ে পুনরায় অর্ধেক মাটি ও গোবর মিশ্রণ দিয়ে সমতল জায়গায় রেখে পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখা হয়। বীজতলা তৈরির ৩ দিনের মধ্যে অঙ্কুর বের হয়ে যায়। ২০-২৫ দিনের মধ্যে চারা উৎপাদন করা যায়। পরবর্তীতে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে এই চারা রোপণ করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা