kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৭ ফাল্গুন ১৪২৭। ২ মার্চ ২০২১। ১৭ রজব ১৪৪২

উপজেলা চেয়ারম্যানের ভাই হত্যা : ইউপি চেয়ারম্যান আসামি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি   

২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ১৮:৫২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



উপজেলা চেয়ারম্যানের ভাই হত্যা : ইউপি চেয়ারম্যান আসামি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. হানিফ মুন্সির ভাই মো. জামাল মুন্সিকে (৫০) হত্যার হত্যার ঘটনায় উপজেলার চরচারতলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জিয়াউদ্দিন খন্দকারসহ ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহত জামাল মুন্সির বড় ভাই জাহাঙ্গীর মুন্সি বাদি হয়ে শনিবার রাতে আশুগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আসামিরা হলেন, আবু সহিদ, সেলিম মিয়া, জিয়াউদ্দিন খন্দকার, আবদু মিয়া, জাকির মিয়া (পিচ্চি জাকির), পলাশ মিয়া, শফিকুল ইসলাম, তজুল ইসলাম, জিয়াউর রহমান, মো. আজিজ, রফিকুল খন্দকার, জুবায়ের ইসলাম, সাদ্দাম মিয়া, নাছির মিয়া, দিলু মিয়া, মাসুদ মিয়া, মাহবুবুর রহমান, মনা মিয়া ওরফে রমজান, পাবেল মিয়া, কাউছার মিয়া, খোকন মিয়া, রনি মিয়া, মো. রাব্বি, বাদল মিয়া, সোহেল মিয়া, সুমন মিয়া ও ইকরান। তাদের সকলের বাড়ি চরচারতলা এলাকায়। এছাড়া মামলায় আরো ২০-২৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামী করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, শুক্রবার রাত ১টার দিকে উপজেলার চরচারতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউদ্দিন খন্দকারের যোগসাজসে পরিকল্পিতভাবে উপজেলা চেয়ারম্যান হানিফ মুন্সিকে হত্যার উদ্দেশে তার বাড়িতে হামলা করে বাড়ির প্রধান ফটকে ভাঙচুর করতে তাকে। এ সময় মামলার বাদি জাহাঙ্গীর মুন্সি ও জামাল মুন্সি তাদের বাধা দিলে আবু সহিদ, সফিকুল ইসলাম, জাকির হোসেন ও মো. আজিজ মিলে নিহত জামাল মুন্সিকে ঝাপটে ধরে। এ সময় পলাশ মিয়া তার হাতে থাকা বল্লম দিয়ে জামাল মুন্সির বুকে আঘাত করে। অন্যান্য আসামিরা আরো কয়েকজনকে পিটিয়ে আহত করে। পরে জামাল মুন্সিকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তবে চরচারতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. জিয়াউদ্দিন খন্দকার এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর জড়িত থাকার অভিযোগটি নিছক রাজনৈতিক কারণে বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে আমি সঙ্গে সঙ্গেই আশুগঞ্জ থানাকে অবহিত করি। একজন চেয়ারম্যান হিসেবে নিজে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করি। আমাকে এ ঘটনায় জড়িয়ে মামলা দায়েরের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।'

আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাবেদ মাহমুদ জানান, এ ঘটনায় নিহত জামাল মুন্সির বড় ভাই জাহাঙ্গীর মুন্সি বাদি হয়ে ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এজাহারে নাম থাকা পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা