kalerkantho

শনিবার । ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৪ রজব ১৪৪২

ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হলো পদ্মার দুই রুটে

অনলাইন ডেস্ক   

২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:৩৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হলো পদ্মার দুই রুটে

ফাইল ছবি।

পদ্মার দুই রুট দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ও বাংলাবাজার-শিমুলিয়ায় ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

ঘন কুয়াশার কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় সাড়ে ১১ ঘণ্টা ও বাংলাবাজার-শিমুলিয়া রুটে প্রায় সাড়ে ৯ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর আজ রবিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে পৃথক সময়ে এই দুই নৌরুটে স্বাভাবিক হয় ফেরি চলাচল।

এর আগে ঘন কুয়াশার কারণে সাড়ে ১১ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর আজ রবিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়। 

গতকাল শনিবার (২৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টা থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখে ঘাট কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডাব্লিটিসি) আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম মো. জিল্লুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গতকাল শনিবার রাতে পদ্মা নদীতে কুয়াশার ঘনত্ব বাড়তে থাকে। এতে ফেরি দিক নির্দেশক বাতি অস্পষ্ট হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে দুর্ঘটনা এড়াতে রাত সাড়ে ১০টা থেকে ফেরি বন্ধ রাখা হয়। কুয়াশার ঘনত্ব কমে গেলে আজ রবিবার সকাল ১০টার দিকে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়। বর্তমানে ১৬টি ফেরি দিয়ে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে।

এদিকে, একই কারণে প্রায় সাড়ে ৯ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর আজ রবিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে ফেরিসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল স্বাভাবিক হয় বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে।

গতকাল শনিবার (২৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ঘন কুয়াশার কারণে কর্তৃপক্ষ ফেরি চলাচল বন্ধ রাখে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে।

বিআইডাব্লিউটিসির বাংলাবাজার ঘাট সূত্র জানায়, কুয়াশার ঘনত্ব বাড়তে থাকায় শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বন্ধ করে দেওয়া হয় ফেরি চলাচল। এ সময় চলাচলরত কয়েকটি ফেরি মাঝ পদ্মায় নোঙর করে রাখা হয়। আজ  রবিবার সকাল ১০টার দিকে কুয়াশা কিছুটা কমে গেলে পুনরায় ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়। এছাড়া লঞ্চ ও স্পিডবোটেও যাত্রী পারাপার শুরু হয়। মাঝ পদ্মায় আটকে থাকা ফেরিগুলোও গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

এদিকে, দীর্ঘ সময় ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় পদ্মার দুই নৌরুটের সব ঘাট এলাকায় অপেক্ষমান যানবাহনের দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয়েছে। নদীপারের অপেক্ষায় রয়েছে কয়েক শ যানবাহন। এতে দুর্ভোগে পড়েছে যানবাহনের যাত্রী ও চালক-কর্মচারীরা। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা