kalerkantho

শনিবার । ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৪ রজব ১৪৪২

'জি-পুত না, শেকের বেটি বাড়ি দিছে'

বিশ্বজিৎ পাল বাবু, ব্রাহ্মণবাড়িয়া   

২১ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:৪১ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



'জি-পুত না, শেকের বেটি বাড়ি দিছে'

মাজেদা বেগম, হাজেরা খাতুন, আইয়ুব আলী, আবুল হাসেম, নজির মিয়া, রেনু বালা, লিটন মিয়াদের চোখে ঘুম নেই। আনন্দে চোখে ঘুম আসে না। কেউ পাঁচ কিলোমিটার হেঁটে ছুটে আসেন 'স্বপ্ন' ছুঁয়ে দেখতে। কারো ঘুম ভাঙে 'স্বপ্নের' কাছেই।

যে স্বপ্ন নিজে পূরণ করতে পারেননি, যে স্বপ্ন পূরণ করতে পারেননি সন্তানেরা- সেই স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে এসেছে সরকার। স্বপ্ন পূরণের সারথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মাজেদা, হাজেরাদের চোখে, শেখ হাসিনা মানে শেকের বেডি, মুজিবের জি, হাসিনা মা।

মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসনের আওতায় সরকারের আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর অধীনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় প্রথম পর্যায়ে ভূমি ও ঘর পাচ্ছে ওপরে উল্লেখিতরাসহ ৪৫ জন। রবিবার আখাউড়ার সাবরেজিস্ট্রার মোহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত ভূমির দলিল সম্পাদন করেন।

আগামী ২৩ জানুয়ারি শনিবার প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে একযোগে আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর উদ্বোধন করবেন। এর মধ্যে যে আটটি স্থানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কথা বলার জন্য যুক্ত হতে পারেন এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা রয়েছে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান সাংবাদিকদের কাছে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রথম দফায় ১০৯১ জন ঘর পাওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলা ৩২, বিজয়নগরে ১০০, সরাইলে ১০২, নবীনগরে ৪৮৫, নাসিরনগরে ৯১, বাঞ্ছারামপুরে ৬৪, আশুগঞ্জে ৬৮, কসবায় ১০৪ ও আখাউড়ায় ৪৫ গৃহহীন পরিবার পাবে মাথা গোঁজার ঠাঁই। এর মধ্যে সার্বিক দিক থেকে আখাউড়ার ঘর নির্মাণ কাজসহ বাকি সব দিক দিয়েই ভালো হয়েছে।

আখাউড়ার ইউএনও মোহাম্মদ নূর-এ আলম বলেন, ঘরের জন্য সরকারি বরাদ্দের বাইরেও উপজেলা পরিষদ থেকে বাড়তি বরাদ্দ দিয়ে এখানে কিছু কাজ করা হচ্ছে। পরবর্তীতে যেন দোকানঘরও নির্মাণ করে দেওয়া যায় সেই অনুযায়ী জায়গা রাখা হয়েছে। আগামী ২৩ জানুয়ারি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ প্রকল্পের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।

জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান বৃহস্পতিবার নিজ সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের বলেন, ১৯৭২ সালের ২০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু প্রত্যেক গৃহহীনকে ঘর দেওয়ার কথা বলেছেন। সেই বিষয়টিই এখন বাস্তবায়িত হতে চলেছে। বলা চলে একটি বিপ্লব ঘটতে চলেছে। বৈষম্যহীন সমজা গড়ার যে পদক্ষেপ সেটি বাস্তবায়িত হতে চলেছে। ২৩ জানুয়ারি উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী আখাউড়ার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে উপকারভোগীসহ অন্যান্যদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা