kalerkantho

বুধবার । ১৮ ফাল্গুন ১৪২৭। ৩ মার্চ ২০২১। ১৮ রজব ১৪৪২

আমরণ অনশনে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহিষ্কৃত ২ শিক্ষার্থী

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২০ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:৩৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আমরণ অনশনে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহিষ্কৃত ২ শিক্ষার্থী

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) দুই শিক্ষার্থী তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের জন্য বেধে দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শেষে এবার আমরণ অনশন শুরু করেছে। এই দুই শিক্ষার্থী হলেন বাংলা ডিসিপ্লিনের (বিভাগ) মোবারক হোসেন নোমান এবং ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী ইমামুল হোসেন।

প্রশাসন বলছে, দুজন শিক্ষকের সঙ্গে অসদাচারণ ও তদন্তে অসহযোগিতার দায়ে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের দাবি, বেতন ফি কমানোসহ পাঁচ দফা দাবি আদায় করতে গিয়ে প্রশাসনের রোষানলে পড়েছেন তারা।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে এই দুই শিক্ষার্থী তাদের পূর্বঘোষিত আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করে।

জানা যায়, ঘটনার সূচনা গত বছর ১ জানুয়ারি পাঁচ দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত আন্দোলন থেকে। শিক্ষার্থীরা যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্ত্বরে অবরোধ কর্মসূচি পালন করছিলেন, তখন দুই শিক্ষক সেখান দিয়ে গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান। এরপরে ওই দুই শিক্ষকের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এরপরে গত ৩১ ডিসেম্বর সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ড
ইমামুলকে দুই বছর (৪ টার্ম) জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করে এবং নোমানকে এক বছরের (২ টার্ম) জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করে।

মোবারক হোসেন নোমান বলেন, পূর্বের ঘোষণা মাফিক আমাদের অনশন কর্মসূচি গতকাল রাত থেকে শুরু হয়েছে। প্রশাসন যদি আমাদের ওপর আরোপিত বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে না নেয়, তবে মৃত্যুর মাধ্যমেই আমাদের অনশন কর্মসূচির অবসান ঘটবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক ও শৃঙ্খলা বোর্ডের সদস্য সচিব প্রফেসর মো. শরীফ হাসান লিমন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মকানুন মেনেই একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমের তাদের এই সাজার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এর বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমি এখনও তাদেরকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ গ্রহণ করে একাডেমিক কাউন্সিলে আপিল করার অনুরোধ জানাচ্ছি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা