kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৯ ফাল্গুন ১৪২৭। ৪ মার্চ ২০২১। ১৯ রজব ১৪৪২

গরুর খাদ্য হিসেবে বিক্রি হচ্ছে ফুলকপি-বাঁধাকপি!

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি   

১৮ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:৩২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গরুর খাদ্য হিসেবে বিক্রি হচ্ছে ফুলকপি-বাঁধাকপি!

এভাবে বস্তা বস্তা ফুলকপি-পাতাকপি ক্রেতারা নিয়ে যাচ্ছেন গরুকে খাওয়ানোর জন্য। ছবি: কালের কণ্ঠ

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে পৌর মার্কেটে ফুলকপি ও বাঁধাকপি গরুর খাদ্য হিসেবে বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ১০০ টাকা দরে প্রতি বস্তা। কিছুদিন আগেই প্রতি কেজি কপি ৭০ থেকে ৯০ টাকা দরে  বিক্রি হলেও বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে পানির দরে।

এমন চিত্র দেখা গেছে ১৮ জানুয়ারি সোমবার সকালে রাণীশংকৈলের শিবদিঘী প্রাত্যহিক সকালের সবজিবাজারে।

ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি কেজি এক থেকে দেড় টাকা আর বস্তা বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা থেকে ১০০ টাকা দরে।

এ নিয়ে কৃষকদের মনে অসন্তোষ। তারা বলছেন, মাঠ থেকে বাজারে পরিবহন খরচ তুলে আনতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। সেই সঙ্গে মাঠে কপির পরিচর্চার টাকা একেবারেই বিফলে। প্রথম দিকে কিছুটা দাম বেশি ছিল, এখন একেবারে পানির দরে বিক্রি করতে হচ্ছে।

উপজেলার নেকমরদ থেকে কপি কিনতে আসা রফিকুল ইসলাম জানান, তিন বস্তা কপি ক্রয় করেছেন ২১০ টাকায় গরুকে খাওয়ানোর জন্য।

পৌর মার্কেটের চা দোকানদার আমান জানান, এখন বাজারে গরুখামারিরা তাদের গরুকে খাওয়ানোর জন্য নিয়ে যাচ্ছে বস্তা বস্তা কপি। তিনি নিজেও তার গরুর জন্য প্রতিদিন সকালে কম দামে কপি কিনে নিয়ে যান বলে জানালেন।

তবে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা খুচরা পাইকাররা বস্তাপ্রতি ভালো মানের কপি ১২০ টাকায় ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন। খুচরা বাজারে ২ থেকে ৫ টাকা দরে কপি বিক্রি করছেন তারা।

জানা যায়, রানীশংকৈলের শিবদিঘী  প্রাত্যহিক বাজার ঠাকুরগাঁও জেলার সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে নামডাক রয়েছে। তাই এ বাজারে প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসে সবজি পাইকাররা। এ বাজারে সব ধরনের আগাম সবজি ভোর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা যায়।

কপি বিক্রি করতে আসা সাদিকুল নামের এক কৃষক জানান, একটু ভালো দাম পেলে কীটনাশক ও পরিচর্চার খরচ উঠে আসত। কৃষকদের আর কপি ফসলে লোকসান গুনতে হতো না।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা