kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১২ রজব ১৪৪২

সবার আগে ভোট দিয়ে যা বললেন কাদের মির্জা

নিজস্ব প্রতিবেদক, নোয়াখালী   

১৬ জানুয়ারি, ২০২১ ০৯:১৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সবার আগে ভোট দিয়ে যা বললেন কাদের মির্জা

আব্দুল কাদের মির্জা। ফাইল ছবি

সংঘাত-সংঘর্ষের আশঙ্কার মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় ধাপে ৬০ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। ইভিএম পদ্ধিতে ভোটগ্রহণ চলছে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনের। নির্বাচনে সবার আগে ভোট দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই এবং আওয়ামী লীগের আলোচিত মেয়রপ্রার্থী আবদুল কাদের মির্জা।

শনিবার (১৬ জানুয়ারি) ভোটগ্রহণের শুরুতেই নিজ কেন্দ্র উদয়ন প্রি-ক্যাডেট একাডেমি কেন্দ্রে ভোট দেন তিনি। এসময় তিনি নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করেন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে ভোট নেয়ার জন্য।

সকাল ৮টায় ইভিএমে ভোট শুরুর কথা থাকলেও আগেই কেন্দ্রে যান কাদের মির্জা। এ সময় ভোটারদের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এক নম্বর ওয়ার্ডের এই কেন্দ্রটিতে ভোট শুরুর পর প্রথম ভোটটি তিনিই দেন।

পরে সেখানে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের তিনি বলেন, নিজের জয়ের ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চিত। এই ভোটের মাধ্যমে সন্ত্রাস, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জয় হবে। তবে ভোটে কোনো ধরনের অনিয়ম হলে তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোরও ঘোষণা দেন কাদের মির্জা।

তিনি বলেন, দলের হাইকমান্ড থেকে তাকে নিশ্চিত করা হয়েছে ভোট অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে।

এর আগে প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা শুরুর পর থেকেই নিজের বিভিন্ন মন্তব্যের জন্য আলোচিত ছিলেন তিনি। নিজের দল আওয়ামী লীগ এবং দলটির মন্ত্রী, এমপি ও বিভিন্ন নেতার বিরুদ্ধে সমালোচনা করে তুমুল আলোচনায় আসেন তিনি। সমালোচনা করেছেন নিজের বড় ভাই ওবায়দুল কাদেরকে নিয়েও। তবে নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি অভিযোগ করেন, তাকে হারানোর জন্য একাধিক সংসদ সদস্য বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে টাকা ঢেলেছেন।

বসুরহাট পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী আবদুল কাদের মির্জা, বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী কামাল উদ্দিন চৌধুরী, জামায়াত সমর্থিত স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মোশাররফ হোসেন সহ ৩ জন। কাউন্সিলর পদে ২৫ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৭ জন সহ মোট ৩৫ জন প্রার্থী একে অন্যের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নোয়াখালীর  পুলিশ সুপার  মো. আলমগীর হোসেন জানান, ভোটগ্রহণে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে মাঠে থাকবে পুলিশ, বিজিবি ও আনসারের ৪০০ সদস্য নিয়োজিত থাকবে। বিজিবি ৪ প্লাটুন, পুলিশের মোবাইল টিম ৯টি, স্ট্রাইকিং টিম ২টি, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ৯জন ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা