kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৭ ফাল্গুন ১৪২৭। ২ মার্চ ২০২১। ১৭ রজব ১৪৪২

বরগুনা পৌরসভা নির্বাচন

প্রতিদ্বন্দ্বীর কর্মীকে বাসায় কোপালেন নারী প্রার্থী

বরগুনা প্রতিনিধি   

১৬ জানুয়ারি, ২০২১ ০২:৫৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



প্রতিদ্বন্দ্বীর কর্মীকে বাসায় কোপালেন নারী প্রার্থী

বরগুনা পৌরসভা নির্বাচনে প্রচার চালানোর সময় প্রতিদ্বন্দ্ব্বী প্রার্থীর এক কর্মীকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে এক নারী কাউন্সিলর পদপ্রার্থীর বিরুদ্ধে। গতকাল শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে বরগুনা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসংলগ্ন অভিযুক্ত কাউন্সিলর পদপ্রার্থী নাসরীন নাহার সুমির বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত ব্যক্তির নাম মো. দেলোয়ার হোসেন (৪৫)। তিনি পৌরসভার ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদপ্রার্থী নিপা আক্তারের কর্মী। একই ওয়ার্ডে অটোরিকশা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন অভিযুক্ত নাসরীন নাহার সুমি। দেলোয়ারকে প্রথমে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমি নিপা আক্তারের টেলিফোন প্রতীকের পক্ষে বাসায় বাসায় গিয়ে ভোট চাইছিলাম। একপর্যায়ে আমি শহীদ মিনার এলাকায় যাই। এ সময় নাসরিন নাহার সুমি আমাকে তাঁর বাসা থেকে দেখে ফেলেন। পরে তিনি আমাকে ডেকে বাসায় নেন। জানতে চান, আমি কার পক্ষে প্রচার চালাচ্ছি। আমি টেলিফোন প্রতীকের প্রচার চালাচ্ছি—এটা বলতেই তিনি আমাকে গালাগাল শুরু করেন। আমি এর প্রতিবাদ করতেই তিনি একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমার মাথায় কোপ দেন। তাঁর বাসার আশপাশে টেলিফোন প্রতীকের প্রচার চালাতে না যেতে সতর্ক করে দেন। পরে ওই এলাকায় ভোট চাইতে গেলে অবস্থা খারাপ হবে বলে আমাকে হুমকিও দেন।’

কাউন্সিলর পদপ্রার্থী নিপা আক্তার বলেন, ‘নির্বাচনের শুরু থেকেই আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নাসরিন নাহার সুমি আমাকে ও আমার কর্মীদের নানাভাবে হুমকি দিচ্ছিলেন। এবার প্রচারের সময় তিনি আমার এক কর্মীকে বাসায় ডেকে নিয়ে মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছেন। এ ঘটনায় আমি মামলার প্রস্তুতি নিয়েছি।’

অভিযুক্ত কাউন্সিলর পদপ্রার্থী নাসরিন নাহার সুমি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা এ অভিযোগ সত্য নয়। আমার জনপ্রিয়তায় ভাটা লাগাতে আমার এ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দিচ্ছেন।’

বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. মেহেদী হাসান বলেন, দেলোয়ার হোসেনের মাথায় আঘাতের ফলে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ আঘাত গুরুতর নয়। মাথায় কী দিয়ে আঘাত করা হয়েছে, তাও স্পষ্ট নয়। তার পরও ঝুঁকি এড়াতে তাঁকে বরিশালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

বরগুনা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা