kalerkantho

সোমবার । ১৬ ফাল্গুন ১৪২৭। ১ মার্চ ২০২১। ১৬ রজব ১৪৪২

গাছে বেঁধে মাকে নির্যাতন, কাঁদছিল শিশু : ৩ দিনেও বাড়ি ফেরেনি তারা

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

১৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১৫:৪৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গাছে বেঁধে মাকে নির্যাতন, কাঁদছিল শিশু : ৩ দিনেও বাড়ি ফেরেনি তারা

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার মালিরচালা গ্রামে চুরির অভিযোগে আদিবাসী এক নারীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ আদিবাসী কোচ ইউনিয়নের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মামলার তিন দিন পরেও এ ঘটনায় করা মামলার কোনো আসামি এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। নির্যাতিত সন্ধ্যা রানী এখনো তার বাড়িতে ফেরেননি। বর্তমানে তারা মহানন্দ চন্দ্র বর্মণ নামে তার এক আত্মীয়ের আশ্রয়ে রয়েছেন। সন্ধ্যা রানীর ওপর নির্যাতনকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে সন্ধ্যা রানীর পরিবারের নিরাপত্তার দাবি জানানো হয় মানববন্ধন থেকে। মানববন্ধন শেষে আদিবাসীরা উপজেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল করে। পরে স্থানীয় ইউএনও কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন আদিবাসী নেতারা।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আদিবাসী কোচ ইউনিয়নের যুগ্ম আহ্বায়ক রতন চন্দ্র কোচ, বাংলাদেশ আদিবাসী ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অলিক মৃ, বাংলাদেশ আদিবাসী ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের সহসভাপতি শ্রী চন্দন কোচ, বাংলাদেশ গারো ছাত্রসংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির জন জেত্রা, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের টাঙ্গাইল জেলা কমিটির আহ্বায়ক ফাতেমা বীথি, আদিবাসী নেতা অনিল চন্দ্র বর্মণ, মহানন্দ বর্মণ, রূপচান বর্মণ প্রমুখ।

আসামিদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে ঘাটাইলের সাগরদিঘি তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক মো. জাকির হোসেন বলেন, আসামিদের ধরতে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি চোর সন্দেহে ওই আদিবাসী নারীকে সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করে তারই প্রতিবেশী মনিরুলের পরিবারের লোকজন। এ সময় তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ছেলে পলাশের কোলে থাকা ছয় মাসের শিশু কান্নাকাটি করলেও তাকে দুধ পান করতে দেয়নি  নির্যাতনকারীরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা