kalerkantho

শুক্রবার । ২০ ফাল্গুন ১৪২৭। ৫ মার্চ ২০২১। ২০ রজব ১৪৪২

খালের দুর্গন্ধে টেকা দায়, রোগ-ব্যাধির শঙ্কা, মাছের গায়ে ক্ষত

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি   

৯ জানুয়ারি, ২০২১ ১৪:১৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খালের দুর্গন্ধে টেকা দায়, রোগ-ব্যাধির শঙ্কা, মাছের গায়ে ক্ষত

খালটির নাম খোঁজাখালি। যশোরের কেশবপুরের হরিহর নদের শাখা এই খালের পানি থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। সম্প্রতি খালটির পানি পচে যাওয়ায় দুর্গন্ধে দুই পারের বাসিন্দারা চরম বিপাকে পড়েছে। দুর্গন্ধে নানা রোগ-ব্যাধি ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে এলাকার মানুষ আশঙ্কা করছে। তবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তারা বলছেন, এতে ভয়ের কোনো কারণ নেই।

সরেজমিন খালের মধ্যকুল স্লুইস গেট ও কেশবপুর শহরের প্রবেশ মুখের ব্রিজ এলাকায় গেলে জানা যায়, গত এক সপ্তাহ ধরে পানির স্বাভাবিক রং বদলে কালো হয়ে গেছে। খাল পারের ভবানীপুর এলাকার নজরুল ইসলাম বলেন, পচা পানির দুর্গন্ধে টেকা দায় হয়ে পড়েছে। পানি কালো গাঢ় হয়ে গেছে। দুর্গন্ধে এলাকার মানুষ রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন। খালপারের মধ্যকুলের বাসিন্দা মর্জিনা বেগম বলেন, পানি পচে যাওয়ায় ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। দু’পারের মানুষ স্লুইস গেটে খালের পানিতে গোসল করে থাকেন। এখন সেটিও সম্ভব হচ্ছে না।

খালটিতে কচুরিপানা জমে থাকায় জোয়ার-ভাটা বাধাগ্রস্থ হয়ে পানি ওপর দিয়ে না গিয়ে নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে খালের নিচে প্রচুর গাদেরও সৃষ্টি হয়েছে। দুর্গন্ধের কারণে কেউ খালটিতে মাছ শিকারও করছে না। এলাকাবাসী বলছেন, খালের পানির মাছের গায়ে ঘা দেখা দিয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মুন্সী আছাদুল্লাহ বলেন, খাল পাড়ে জন্মানো বন জঙ্গল পচে পানি নষ্ট হতে পারে। খালে জোয়ার ভাটা রয়েছে। অল্প দিনের ভেতর পানি ভালো (পরিষ্কার) হয়ে যাবে। 

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আলমগীর হোসেন জানান, খালটির পানি পচে গেলেও এতে ভয়ের কোনো কারণ নেই। স্রোত বৃদ্ধি পেলেই পানি আবারও স্বাভাবিক হয়ে আসবে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা