kalerkantho

শুক্রবার । ২০ ফাল্গুন ১৪২৭। ৫ মার্চ ২০২১। ২০ রজব ১৪৪২

নীলফামারীতে তাপমাত্রা সাড়ে ৭ ডিগ্রি, কমবে আরো

নীলফামারী প্রতিনিধি   

১৯ ডিসেম্বর, ২০২০ ১৮:০৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নীলফামারীতে তাপমাত্রা সাড়ে ৭ ডিগ্রি, কমবে আরো

নীলফামারীতে শনিবার সর্বনিম্ন সাত দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকড করেছে সৈয়দপুর আবহাওয়া কার্যালয়। চলতি শীত মৌসুমে জেলায় এটিই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। জেলায় এমন তাপমাত্রা বিরাজে বেড়ে শীতের দাপট।

আজ শনিবার সকালে সূর্যের দেখা মিললেও হারিয়ে যায় দুপুরের পর। এরপর থেকে কুয়াশাঢাকা আকাশে বাড়তে থাকে শীতের প্রকোপ। আবহাওয়া দপ্তর সূত্র জানায়, দুপুর পর্যন্ত সূর্যের উষ্ণতায় তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও বিকাল চারটার পর থেকে তাপমাত্রা কমে রাতে তীব্র শীত অনুভূত হবে।

এই শীতে বেশি বিপাকে পড়েছেন জেলার খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ। তীব্র শীত অনুভূত হওয়ায় ক্ষেত খামারের কাজে নামতে পারছেন না তারা। পাশপাশি গরম কাপড়ের অভাব বিরাজ করছে এসব মানুষের মাঝে।

জেলার সদর উপজেলার কচুকাটা ইউনিয়নের কচুকাটা গ্রামের কৃষি শ্রমিক মিঠু মিয়া (৫৫) বলেন, সাত দিন ধরি ঠাণ্ডাত জমিত কাজ করির পারেছ না। বাড়িত জমানো টাকাও শ্যাষ। এলা কি হোবে কবার পারেছ না।

একই উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়নের শ্রমিক আব্দুল মান্নান (৬৫) বলেন, সাকালের ঠাণ্ডা বাতাসোত জমিত কাজ করা কঠিন। কামাই কম, হামেরা অভাবোত আছি। এরপর শীতের কাপড় কিনিবার টাকা পামো কোনঠে?

শীত বৃদ্ধি পাওয়ায় বৃদ্ধি পেয়েছে শীত জনিত রোগ-বালাই। নিমোনিয়া, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন শিশু ও বৃদ্ধরা। নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. জাকিয়া সুলতানা বলেন, শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

ওই হাসপাতাল সূত্র জানায়, প্রতিদিন বহির্বিভাগে গড়ে  ছয় শতাধিক এবং হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে দুই শতাধিক রোগিকে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।

সৈয়দপুর বিমান বন্দরের আবহাওয়া দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. লোকমান হাকীম বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে জেলায় তাপমাত্রা কমতে শুরু করে। শনিবার সর্ব নিম্ন সাত দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যা চলতি বছরের শীত মৌসুমে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আরো তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, সরকারিভাবে জেলায় ২৯ হাজার ৫০০ কম্বল ও শীতবস্ত্র কেনার জন্য ৩৬ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। জেলার ছয় উপজেলা এবং চার পৌরসভার মাঝে ওই বরাদ্দ বণ্টন করে দেওয়া হয়েছে। যা বিতরণের কাজ চলছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা