kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৭ ফাল্গুন ১৪২৭। ২ মার্চ ২০২১। ১৭ রজব ১৪৪২

চতুর্থবারের মতো ধসে পড়ল সড়কের একই অংশ

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, গাজীপুর   

১১ ডিসেম্বর, ২০২০ ১৯:১৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চতুর্থবারের মতো ধসে পড়ল সড়কের একই অংশ

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় আবারো ধসে পড়ল ব্যস্ততম একটি আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রায় ৪০ ফুট অংশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সড়কের ওই অংশে প্রায় আট ফুট গভীর থেকে ধসে পড়ে। এতে সড়কটিতে সকল প্রকার যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ঝুঁকিতে পড়েছে সড়কসংলগ্ন ১২টি পরিবার।

কাপাসিয়া-শ্রীপুর সড়কে দস্যু নারায়ণপুর এলাকায় সড়ক ধসের এ ঘটনা ঘটেছে। এর আগে একইস্থানে ১৯৬৪, ২০০৩, ও ২০১৮ সালে সড়কের কিছু অংশ ধসে পড়েছিল।

স্থানীয় বাসিন্দা নিতাইচন্দ্র দাস জানান, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে এগারোটার দিকে সড়কে ওই অংশে তাঁরা প্রথমে গভীর ফাটল দেখেন। পরে রাত প্রায় দুইটার দিকে তা ধসে পড়ে। ধসে পড়ার সময় বিকট শব্দ হয়। ওই সময় তাঁদের ঘরের ভিতও কেঁপে ওঠে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, এর আগে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ধসে পড়ায় সওজ তা সংস্কার করে সড়কের দুই পাশেই সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেয়। তাতে লেখা রয়েছে, ‘সয়েল সেটেলমেন্ট পর্যবেক্ষণ চলিতেছে’। এরই মধ্যে গত মার্চ মাসে প্রায় ১০০ ফুটজুড়ে চার থেকে পাঁচ ইঞ্চি দেবে গিয়েছিল সড়কটি। আর ওই সময় থেকেই ফের সড়ক ধসের আশঙ্কা ছিল স্থানীয় বাসিন্দাদের।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছে, সড়কটি শীতলক্ষ্যা পাড়ঘেঁষা। আর ওই নদী থেকে অবৈধ ও অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন করছে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি। এর প্রভাব পড়ছে সড়কটিতে। ফলে বার বার তা ধসে পড়ছে।

কাপাসিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আমানত হোসেন খান আজ সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর জানান, প্রতিটি ধসের ঘটনাই ঘটেছে শীতকালে। তিনি ধারণা করছেন, নদীতে পানির চাপ কমে গেলে সড়কের নিচের মাটি। নদীর দিকে সরে গেলে ধসের ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সড়কটি চলাচল উপযোগী করার ব্যবস্থা করা হবে।

গাজীপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফ উদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, গত বছর ওই সড়কে সংস্কারকাজ শেষ হয়। সংস্কারের পর ছয় মাস পর্যবেক্ষণও করা হয়েছে। এতে কোনো প্রকার ঝুঁকির আশঙ্কা দেখা যায়নি। ঘটনাস্থলের সচিত্র বর্ণনা বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা এর প্রকৃত কারণ বের করবেন।   

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা