kalerkantho

রবিবার । ১৫ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৫ রজব ১৪৪২

গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে শুভসংঘের মাস্ক বিতরণ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি   

৭ ডিসেম্বর, ২০২০ ১৮:৪৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে শুভসংঘের মাস্ক বিতরণ

গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে সোমবার শুভ সংঘের পক্ষ থেকে করোনা সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে মাস্ক বিতরণ করা হয়- কালের কণ্ঠ

গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলা শুভসংঘের উদ্যোগে সোমবার দুপুরে করোণার দ্বিতীয় ধাপ মোকাবেলায় জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে পলাশবাড়ি চৌমাথা, ঘোড়াঘাট ও গাইবান্ধা সড়ক সংলগ্ন এলাকায় মাস্ক বিতরণ করা হয়।  

স্থানীয় মহিলা কলেজ সংলগ্ন চত্বরে উপজেলা শুভ সংঘ’র সভাপতি অধ্যাপক শামসুল হকের সভাপতিত্বে করোণা প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে বক্তব্য রাখেন জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক লতা সরকার, সদস্য উম্মে কুলসুম তালুকদার তুলনা, উপজেলা সহসভাপতি অধ্যাপক  আশরাফুল ইসলাম, শিক্ষক অধ্যাপক তপন রায় তপু, সাধারণ সম্পাদক মো. শাকিল রহমান সাজ্জাদ, কালের কন্ঠের জেলা প্রতিনিধি অমিতাভ দাশ হিমুন। 
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা কমিটির সদস্য তানজিমুল ইসলাম তৌহিদ, দেবী সাহা, জয় কুমার দাস, উপজেলা  সহ সাধারণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান রিজন, তরিকুল রহমান কাওসার, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিকুর ররহমান , প্রচার সম্পাদক জান্নাতুল রাহা মণি, শিক্ষা ও পাঠ্যচক্র সম্পাদক ফারজানা আফরিন, সহশিক্ষা সম্পাদক তুন্না আকতার, নির্বাহী সদস্য আজমাইন ইমতিদার ইমন, লাভলু খন্দকার ও আনিন সরকার।
পরে সাধারণ মানুষ, রিক্সা ভ্যান, আটো রিক্সা , সিএনজি  চালক, শ্রমজীবি মানুষসহ বাস যাত্রীদের মাস্ক পরিয়ে দেন  শুভ সংঘের কর্মীরা। 
মাস্ক পেয়ে রিক্সা চালক  আ. রহিম বলেন, সবাই শুধু পরামর্শ দেয়। কিন্তু মাস্কের  দাম বেড়ে যাওয়ায় আমরা গরীব মানুষর কিনতে পারছি না। শুভ সংঘ থেকে ছেলে মেয়েরা আজ কয়েকটা মাস্ক দিল। আল্রা তাদের ভাল করুক।
সাত বছরের শিশু জুম্মন মিয়া  জানাল, আপুরা খুব ভাল। আমারটা তো দিসে, আম্মু আব্বুরটাও চ্যায়া নিসি। 
অটো যাত্রী শামসি আরা বললেন, মাস্ক কেনা একটা বাড়তি ব্যয়। অনেকেই তা কিনতে পারে না। শুভ সংঘ’র ছেলে মেয়েরা পাশে দাঁড়াল। এটা অনেক শুভকাজ। ছোট ছোট ছেলেমেয়ে কিন্তু মন অনকে বড় ওদের।
পলাশবাড়ি উপজেলা কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক জানালেন, শীত মৌসুমে কয়েকদফা মাস্ক বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি করোণা প্রতিরোধ নিয়মিত  বিষয়ে পথ সভা করা হবে। প্রথম পর্যায়ে পাঁচ’শ মাস্ক বিতরণ করা হলো।  

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা