kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ মাঘ ১৪২৭। ২৮ জানুয়ারি ২০২১। ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪২

কমলগঞ্জে ব্যাডমিন্টন খেলতে গিয়ে প্রাণ হারালেন ডিজিএম

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি   

৬ ডিসেম্বর, ২০২০ ০১:৫১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কমলগঞ্জে ব্যাডমিন্টন খেলতে গিয়ে প্রাণ হারালেন ডিজিএম

ব্যাডমিন্টন খেলতে গিয়ে মৌলভীবাজার পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির কমলগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) প্রকৌশলী গণে চন্দ্র দাসের (৫৫) আকস্মিক মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। তাঁর দেশের বাড়ি বরিশালের পটুয়াখালী। গণেশ চন্দ্র দাশ কমলগঞ্জ অফিসে যোগদান করেন ২০১৯ সালের ৫ ডিসেম্বর। ঠিক এক বছর পূর্ণ হওয়ার দিন তিনি মারা গেলেন।

শনিবার (৫ ডিসেম্বর) রাত ১০টায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অভিযোগ কেন্দ্রস্থ ব্যাডমিন্টন মাঠে তিনি পড়ে গেলে মৌলভীবাজার লাইফ লাইন প্রাইভেট হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

জানা যায়, মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কমলগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী প্রতিদিনের মতো শনিবার রাত ১০টায় সমিতির অফিসস্থ মাঠে ব্যাডমিন্টন খেলছিলেন। খেলা চলাকার সময়ে হঠাৎ পা পিছলে পড়ে যান। পড়ে যাওয়ার পর তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে  কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল আউয়াল ডিজিএম গণেশ চন্দ্র দাসকে মৃত ঘোষণা করেন। কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করার পর তাঁর সহকর্মীরা জীবিত আছেন বিশ্বাস করে মৌলভীবাজার লাইফ লাইন প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেও তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার আব্দুল আউয়াল বলেন, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর তাঁর কোনো পালস পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে তাঁর মৃত্যু হয়। 

কমলগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির লাইন টেকনিশিয়ান জাফর আহমেদ বলেন, আমরা স্যারের সঙ্গে  খেলছিলাম। খেলার সময় উনি পড়ে যান। তাঁর এমন মৃত্যুতে আমরা গভীর শোকাহত। দুই সন্তান ও স্ত্রী নিয়ে কমলগঞ্জে ভাড়া বাসায় থাকতেন। লাশ হাসপাতালে রাখা হয়েছে। আত্মীয়-স্বজন আসার পর গ্রামের বাড়ি বরিশালের পটুয়াখালী নেওয়া হবে। রাত সাড়ে ১১টায় শ্রীমঙ্গলস্থ মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রধান কার্যালয়ে একনজর দেখার জন্য তাঁর লাশ নেওয়া হয়।

এদিকে ডিজিএমের হঠাৎ মৃত্যুতে কমলগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা