kalerkantho

বুধবার । ১৩ মাঘ ১৪২৭। ২৭ জানুয়ারি ২০২১। ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২

সাংসদ বাবেলের গুচ্ছ পরিকল্পনায় পাল্টে যাবে গফরগাঁওয়ের চিত্র

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

৪ ডিসেম্বর, ২০২০ ২২:১৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাংসদ বাবেলের গুচ্ছ পরিকল্পনায় পাল্টে যাবে গফরগাঁওয়ের চিত্র

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণসহ আর্থ সামাজিক উন্নয়নে গুচ্ছ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন এমপি ফাহমী গোলন্দাজ বাবেলের ডিও লেটারসহ গুচ্ছ পরিকল্পনার একটি প্রস্তাবনা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সমূহে প্রেরণ করেছেন। এই প্রস্তবনা সমূহ সরকারের অনুমোদন পেলে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ পাল্টে যাবে গফরগাঁওয়ের আর্থ সামাজিক অবস্থার চিত্র।

জানা যায়, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ককে কেন্দ্র করে পার্শ্ববর্তী শ্রীপুর, ভালুকা ও ত্রিশাল উপজেলায় অসংখ্য শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। গফরগাঁওয়ে রেলপথ, নৌপথ ও টেকসই সড়ক অবকাঠামো থাকা সত্বেও কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেনি। ফলে প্রায় সাত লক্ষ জন অধ্যুষিত ও শিক্ষা-দিক্ষায় অগ্রসর গফরগাঁও উপজেলা আর্থ সামাজিকভাবে এখনো পিছিয়ে রয়েছে। এ অবস্থায় স্থানীয় প্রশাসন গত ২৪ অক্টোবর উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ‘‘গফরগাঁও: উন্নত বাংলাদেশের উন্নত উপজেলা’ স্লোগান নিয়ে ‘গফরগাঁও : ২০৪১ শীর্ষক উন্নয়ন ভাবনা” শিরুনামে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল। উপজেলা প্রশাসন ঐ মতবিনিময় সভার মতামতের ভিত্তিতে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ, গফরগাঁও রেলওয়ে স্টেশনকে উন্নত আধুনিক মানে উন্নীত করে মেট্রো রেল সংযোগ চালু করা, ব্রহ্মপুত্র নদকে কেন্দ্র করে অত্যাধুনিক পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণসহ উপজেলার আর্থ সামাজিক উন্নয়নের পরিকল্পনা সম্বলিত একটি গুচ্ছ প্রস্তাবনা তৈরি করেন। পরে সংসদ সদস্য ফাহমী গোলন্দাজ বাবেলের ডিও লেটারসহ প্রস্তাবনাসমূহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তাজুল ইসলাম বলেন, এমপি স্যারের ডিও লেটারসহ প্রস্তাবনা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। গফরগাঁওয়ে রেলপথ, নৌপথ ও সড়ক অবকাঠামো থাকা সত্বেও শিল্প গড়ে উঠেনি। অথচ পার্শ্ববর্তী শ্রীপুর, ভালুকা ও ত্রিশালে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এই উপজেলায় প্রায় ১৭০০ একর খাস জমি রয়েছে। এখানে অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ প্রস্তবনা সমূহ অনুমোদন পেয়ে ১০০ একর থেকে ১০০০ একর খাস জমি যোগার করে দেওয়া সম্ভব হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা