kalerkantho

রবিবার। ৩ মাঘ ১৪২৭। ১৭ জানুয়ারি ২০২১। ৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২

আপত্তিকর অবস্থায় ধরা! ২০ লাখ টাকায় ধর্ষণ মামলা থেকে পুলিশ সদস্যের রক্ষা

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ   

৪ ডিসেম্বর, ২০২০ ১৮:৫০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আপত্তিকর অবস্থায় ধরা! ২০ লাখ টাকায় ধর্ষণ মামলা থেকে পুলিশ সদস্যের রক্ষা

এক তরুণীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েন এক পুলিশ সদস্য। থানায় আটকের পর ওই তরুণীকে দ্বিতীয় স্ত্রী বলে পরিচয় দিলেও পুলিশের কাছে বিয়ের সঠিক কাগজ দেখাতে পারেননি তিনি। আর এ অবস্থায় ধর্ষণ মামলার প্রস্তুতি নেয় তরুণীর পরিবার। পরে ২০ লাখ টাকা কাবিনের শর্তে রাজি হওয়ায় ধর্ষণ মামলা থেকে রক্ষা পায় ওই পুলিশ সদস্য। শুক্রবার এ ধরনের ঘটনা ঘটে ময়মনসিংহের নান্দাইল থানায়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নান্দাইল উপজেলার চরবেতাগৈর ইউনিয়নের চর উত্তরবন্দ গ্রামে আব্দুল মন্নাছের বাড়িতে এক তরুণীসহ স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়েন নান্দাইল থানার সাবেক পুলিশ সদস্য আব্দুল কাইয়ুম (৩২)। তিনি বর্তমানে নেত্রকোনার খালিয়াজুরি থানার লেপসিয়া পুলিশ ফাঁড়ির কনস্টেবল পদে চাকরি করছেন। 

খবর পেয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে থানায় আনে নান্দাইল পুলিশ। থানায় আটক পুলিশ সদস্য দাবি করেন, তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তবে তাদের বিয়ের কাগজ যাচাই করে ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়। এ অবস্থায় ওই তরুণীকে বাদী করে পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এক পর্যায়ে তরুণীর পরিবার থানায় বসেই সিদ্ধান্ত নেয় ২০ লাখ টাকা দেনমোহরে ফের বিয়ে করলে মামলা থেকে ছাড় দেওয়া হবে। সর্বশেষ এই শর্তে ধর্ষণ মামলা থেকে রক্ষা পায় পুলিশ সদস্য কাইয়ুম। 

অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য আব্দুল কাইয়ুম জানান, প্রথম স্ত্রী জেনে যাওয়ার ভয়ে গোপনে এই বিয়ে করেছিলেন। বিয়ের কাগজপত্রতো বৈধ না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন তো তাই বুঝতাছি।

তরুণী বলেন, 'আমার যা হওয়ার তো দুই বছর তো দুই বছর ধরেই হচ্ছে। ওই বিয়ে বৈধ না হলে এখন বৈধ করে নেবো।'

নান্দাইল থানার ওসি (তদন্ত) মো. আবুল হাসেম জানান, সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন ছিল। এ অবস্থায় বাদীকে লিখিত (তরুণী) অভিযোগে স্বাক্ষর করতে বললে তিনি অনিহা প্রকাশ করেন। এ অবস্থায় জোরকরে স্বাক্ষর নেওয়া যায় না। এতে থানারও কিছু করণীয় নেই।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা