kalerkantho

বুধবার। ৬ মাঘ ১৪২৭। ২০ জানুয়ারি ২০২১। ৬ জমাদিউস সানি ১৪৪২

সমিতির নির্বাচন নিয়ে কুবি শিক্ষকরা দুই ভাগ, পৃথক কমিশন গঠন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

৪ ডিসেম্বর, ২০২০ ১৬:১৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সমিতির নির্বাচন নিয়ে কুবি শিক্ষকরা দুই ভাগ, পৃথক কমিশন গঠন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন-২০২১ ঘিরে সমিতির গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কাজ ও স্বেচ্ছাচারিতার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছে দুটি পক্ষ। কার্যনির্বাহী পরিষদের মোট ১৫ জনের আটজন ও সাতজনের দুটি পক্ষ তৈরি হয়েছে। দুই পক্ষই নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আলাদা দুটি পৃথক নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পৃথক দুটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচন কমিশন গঠনের এ তথ্য জানা যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ৩০ নভেম্বর শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় পরিষদের ৮ জন সদস্য ১৩ ডিসেম্বর নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করে। সে সভায় রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. একেএম রায়হান উদ্দিন প্রধান নির্বাচন কমিশনার, ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নকীবুন নবী এবং ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. সিদ্দিকুর রহমানকে নির্বাচন কমিশনার করে কমিশন গঠন করে। সেই নির্বাচন কমিশন গত ২ ডিসেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। তবে গতকাল ৩ ডিসেম্বর সমিতির ৭ জনের অপর পক্ষ প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৩ ডিসেম্বর নির্বাচনের তারিখ ঠিক রেখে নতুন আরেকটি নির্বাচন কমিশন গঠন করে। এতে নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আইনুল হককে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. এনামুল হক এবং রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জুলহাস উদ্দিনকে নির্বাচন কমিশনার করা হয়।

এক পক্ষের নেতৃত্ব দেওয়া সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. স্বপন চন্দ্র মজুমদার বলেন, আমরা ফেডারেশনের সভার জন্য অপেক্ষা করেছি এ জন্য আমরা দেরি করেছি। উনারা মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে সভা ডেকেছেন এটি গঠনতন্ত্র পরিপন্থী। 

অন্য পক্ষের নেতৃত্বে থাকা সমিতির সভাপতি রশিদুল ইসলাম শেখ বলেন, শিক্ষক সমিতির গঠনতন্ত্রের ১০-এ খ ধারা অনুযায়ী ১৫ থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হলেও নিয়মতান্ত্রিকভাবে ৩০ নভেম্বর গঠন হওয়া কমিশনকে উপেক্ষা করে তারা অবৈধভাবে আরেকটি কমিশন গঠন করে। এ ছাড়া গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সভা আহ্বানের ক্ষেত্রে সভাপতির পরামর্শ নিতে হয়। তাও তারা নেয়নি। এ ছাড়া আমি ক্যাম্পাসে থাকার পরও আমার স্বাক্ষরকে তারা জালিয়াতি করেছে। এটি অপরাধ। বিজ্ঞপ্তির প্যাডটিরও অনুমোদন নেই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, এমন পরিস্থিতি কোনোভাবেই কাম্য নয়। তাদের দুপক্ষেরই উচিত সাধারণ সভা ডেকে সব শিক্ষকের মতামতের ভিত্তিতে একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া। এটি সবার জন্য শুভকর হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা