kalerkantho

শনিবার । ৯ মাঘ ১৪২৭। ২৩ জানুয়ারি ২০২১। ৯ জমাদিউস সানি ১৪৪২

নাভারণ-গোড়পাড়া সড়কের দুই ব্রিজ

দীর্ঘদিন সংস্কার নেই, ব্রিজ এখন মরণ ফাঁদ

বেনাপোল প্রতিনিধি   

৩ ডিসেম্বর, ২০২০ ১৭:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দীর্ঘদিন সংস্কার নেই, ব্রিজ এখন মরণ ফাঁদ

যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারণ-কাজীরবেড়-গোড়পাড়া জিসি সড়কের দুটি ব্রিজ দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে অবহেলায় পড়ে আছে। অল্প করে ভাঙতে ভাঙতে আজ একেবারে জরাজীর্ণ অবস্থায় পরিণত হয়েছে। ব্রিজ নয় যেন এটি কোনো মরণ ফাঁদ। ব্রিজটির অবস্থা এতেটাই খারাপ যে ১০ কিলোমিটার গ্রামীণ এই সড়কে যাবতীয় যানবাহন চলাচল এবং জণসাধারণের জন্য যাতায়াত মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

প্রায় ১০ মাস আগে বিধ্বস্থ এ ব্রিজ দুটি সংস্কারের জন্য শার্শা ও যশোর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিডিই) থেকে  ঢাকা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম ফর সাপোটিং রুরাল ব্রিজেস শীর্ষক কর্মসূচি ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সড়ক ও সেতু রক্ষণাবেক্ষণ) এর প্রকল্প পরিচালক বরাবর পত্র পাঠানো হলেও কবে নাগাদ মেরামত করা হবে তার কোনো সুদউত্তর দিতে পারেনি উপজেলা এলজিডিই।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নাভারণ জিসি-গোড়পাড়া জিসি সড়কে ৯১৬ মিটার চেইনেজে ৬০ মিটার ব্রিজ নির্মাণ। নাভারণ জিসি-গোড়পাড়া জিসি সড়কে ৩২৩৭ মিটার চেইনেজে ২টি বিধ্বস্থ ব্রিজের উপরের ঢালাই ধ্বসে গিয়ে ভেতরের রডগুলো বের হয়ে আছে এবং চলাচলের জন্য সাইডে মাত্র অল্প কিছু জায়গা অবশিষ্ট রয়েছে। যার ফলে ব্রিজ দিয়ে একটি ভ্যান রিক্সাও চলাচল করতে পারছে না। চরম সমস্যা হচ্ছে জণসাধারনের চলাচলেও। পায়ে হেঁটে চলতেও ভয় পায় কখন ব্রিজের ফাঁক দিয়ে নীচে পড়ে যাবে আবার লোহার রড পায়ে বিধে যাবে।

গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিতে জরাজীর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ ও ভাঙ্গাচোরা ব্রিজের মেরামত বা সংস্করণ না করে স্থানীয় এলজিইডি কর্মকর্তারা নিরাপদে চলাচলের জন্য নির্দেশনামূলক নেম ফলক লাগিয়ে দিয়েছে। দীর্ঘদিন সেটার দিকেও নজর না দেওয়ায় সতর্ককীকরণ নেম ফলকটিও আজ হুমড়ি খেয়ে পড়ে আছে। বর্তমানে নেমফলকটিও রয়েছে চরম ঝুঁকিতে।

এলাকাবাসীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজ দুটি এভাবেই পড়ে আছে। মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেই। এ ব্রিজ এতোটাই ভেঙে গেছে যে গবাদি পশু থেকে শুরু করে শিশুদের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। শিশুদের কোনো নিরাপত্তা দিতে পারছি না। ফলে যেকোনো সময়ই ঘটে যেতে পারে মারাত্মক দুর্ঘটনা। শিশুদেরকে নিয়ে আমাদের সব সময় ভয়ে ভয়ে থাকতে হয়।

এ ব্যাপারে শার্শা উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এর উপজেলা প্রকৌশলী এম এম মামুন হাসান বলেন, ব্রিজ দুটি সংস্কারের কাজ যাতে দ্রুত করা যায় সে ব্যাপারে জোর চেষ্টা চলছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা