kalerkantho

শনিবার । ৯ মাঘ ১৪২৭। ২৩ জানুয়ারি ২০২১। ৯ জমাদিউস সানি ১৪৪২

'নদী দখলমুক্ত ছাড়া বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়া সম্ভব নয়'

আঞ্চলিক প্রতিনিধি (মানিকগঞ্জ)   

১ ডিসেম্বর, ২০২০ ২৩:২৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'নদী দখলমুক্ত ছাড়া বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়া সম্ভব নয়'

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেছেন, মানুষের শরীরে রক্ত প্রবাহের জন্য যেমন শিরা-উপশিরা প্রয়োজন তেমনিভাবে দেশ ও পরিবেশ বাঁচাতে নদী সচল রাখা প্রয়োজন। নদী ও খাল-বিল দখলমুক্ত ছাড়া বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়া সম্ভব নয়। মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে  মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে নদীর অবৈধ দখল ও দূষণ প্রতিরোধ বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

'বাঁচাও নদী, বাঁচাও মানুষ, বাঁচাও দেশ' এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে উপজেলা নদীরক্ষা কমিটি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সহসভাপতি কলামিষ্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সদস্য মো. আলাউদ্দিন ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোসাম্মৎ শাহীন আক্তার।

উপজেলা নদীরক্ষা কমিটির সভাপতি ইউএনও রুনা লায়লার সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তব্যদেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহের নিগার সুলতানা, পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) রকিবুজ্জামান, পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম ভূইয়া জয়, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মাজেদ খাঁন, মো. রমজান আলী, সাজেদুল আলম তালুকদার স্বাধীন, দেওয়ান জিন্নাহ লাঠু, মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম ভূইয়া ও আব্দুল হালিম রাজু প্রমুখ।

এদিন সকাল ১০টার দিকে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার উপজেলার ধলেশ্বরী নদীর ধল্লা, চরজলিল, ফোর্ডনগর ও জামির্ত্তার কালাবগা এলাকা পরিদর্শন করেন।

এ সময় নদীর তীর দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দুটি ইটভাটা, নর্দান ও মানিকগঞ্জ পাওয়ার জেনারেশনস কর্তৃক নির্মিত দুটি রাস্তা, শাহ মেরিন রিসোর্টসহ নদীর সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন তিনি।

এছাড়া সিএস রেকর্ড অনুযায়ী নদীর সীমানা নির্ধারণ এবং বিভিন্ন সময়ে বন্দোবস্ত দেওয়া জমির দলিল বাতিল করার আদেশ দেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা