kalerkantho

শনিবার । ৯ মাঘ ১৪২৭। ২৩ জানুয়ারি ২০২১। ৯ জমাদিউস সানি ১৪৪২

৭ বছর পর শিশু সোয়াইব হত্যার রায়ে তিনজ‌নের ফাঁসি

নারায়ণগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধি   

৩০ নভেম্বর, ২০২০ ২১:৫৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৭ বছর পর শিশু সোয়াইব হত্যার রায়ে তিনজ‌নের ফাঁসি

দীর্ঘ ৭ বছর পর নারায়ণগ‌ঞ্জে ৫ বছরের শিশু সোয়াইব হোসেন হত্যা মামলার রায়ে ৩ আসামিকে ফাঁসি ও একজনকে কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। ৩০ নভেম্বর সোমবার দুপুরে নারায়ণগ‌ঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (দ্বিতীয়) আদালতের বিচারক শেখ রাজিয়া সুলতানার আদালত এ আদেশ দেন।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন জসিম উদ্দিন, রাজু মিয়া ও ফজল হক। এবং ১০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নাছির উদ্দিন। বাকি রিনা, মোশরফ হোসেন, আ. রহিম, আ. সালামকে খালাস দেন আদালত। বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান।

গত ৯ নভেম্বর শিশু সোয়াইব হোসেন হত্যাকাণ্ডের রায় দেওয়ার কথা থাকলেও তারিখ পিছিয়ে ২৫ নভেম্বর ধার্য করা হয়। পরবর্তীতে আবারো তারিখ পিছিয়ে ৩০ নভেম্বর করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি সোনারগাঁ উপজেলার মঙ্গলেরগাঁও এলাকারস্থানীয় শান্তিনগর দারুন নাজাত নূরানী মাদরাসার প্রথম শ্রেণির ছাত্র সোয়াইব হোসেন নিখোঁজ হন। এ ঘটনার ৬ দিন পর একটি নির্মাণাধীন ভবনের পাশ থেকে গলাকাটা ও ঝলসে দেওয়া সোয়াইব হোসেনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় সোয়াইবের বাবা মাসুম মিয়া তার ছেলেকে অপহরণের পর হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মোশরফ হোসেন, রাজু মিয়া, ফজল হক, জসিম উদ্দিন, শিরসতালী, নাছির উদ্দিন, আলী আহাম্মদ ও রিনা বেগমসহ ১৩ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। তখন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ মোশারফ হোসেন, রাজু মিয়া, নাছির উদ্দিন, ফজল মিয়া, সিরাসতালী ও আলী আহাম্মদসহ আরো কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে ছিল।

ওই সময় আসামীরা নারায়ণগঞ্জে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম চাদনী রুপমের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। জবানবন্দিতে আসামিরা জানায়, নারীঘটিত একটি কারণে শিশু সোয়াইব হোসেনকে অপহরণের পর শিশুটিকে প্রথমে  গলা কেটে জবাই করে হত্যা করে পরে তার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ কাটা হয় এবং এসিড দিয়ে পুরো শরীর ঝলছে দেয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা