• ই-পেপার

শ্রীবরদীতে নিখোঁজের ৪ দিন পর জলাশয় থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার

১৫ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক
১৫ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ

ভারি বর্ষণ ও বিরূপ আবহাওয়ায় বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ১৫ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। শুক্রবার (১০ জুলাই) জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারি বর্ষণে জেলার বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ ব্যবস্থায় ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যমান আবহাওয়াজনিত পরিস্থিতি এবং জননিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় পর্যটক ও সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৮ জুলাই জারি করা নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়িয়ে ১৫ জুলাই পর্যন্ত সকল পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

এ সময়ে জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র, ঝর্না, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম এলাকা ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যটক, ট্যুর অপারেটর এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। 

জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সকলকে এ নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।

বিলের পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই শিশুর

অনলাইন ডেস্ক
বিলের পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই শিশুর
প্রতীকী ছবি

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় পানিতে ডুবে ৭ বছর বয়সী দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার বেরুলিয়া উত্তরপাড়া এলাকার কচুয়া বিল থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃত শিশুরা হলো তানজিনা (৭) ও মারিয়া খাতুন। তানজিনা ওই এলাকার মো. আজিজুল হকের মেয়ে এবং মারিয়া খাতুন একই এলাকার মো. মাসিদুল ইসলামের মেয়ে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল থেকেই দুই শিশু নিখোঁজ ছিল। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কোনো সন্ধান পাননি। এক পর্যায়ে সন্ধ্যায় বাড়ির পূর্ব পাশে অবস্থিত কচুয়া বিলে দুই শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন খবর দেন। পরে পরিবারের লোকজন দ্রুত বিল থেকে তাদের উদ্ধার করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মুক্তাগাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মুখলেসুর রহমান। তিনি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মৃত শিশুদের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

রংপুরে ১১ দলের সমাবেশ আজ

রংপুর অফিস
রংপুরে ১১ দলের সমাবেশ আজ

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, সীমান্ত হত্যা ও ‘পুশ-ইন’ বন্ধ এবং উত্তরাঞ্চলের জনদুর্ভোগ নিরসনের দাবিতে রংপুরে বিভাগীয় সমাবেশ করছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।

শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে নগরীর জিলা স্কুল মাঠে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকদের দাবি, সমাবেশে বিভাগের আট জেলা থেকে পাঁচ লাখ মানুষ এতে অংশ নেবেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করবেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এ ছাড়া এলডিপির সভাপতি অলি আহমেদ, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, লেবার পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ইরানসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেবেন।

সমাবেশ উপলক্ষে শুক্রবার বিকেলে জিলা স্কুল মাঠ পরিদর্শন করেন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা। পরে সেখানে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সমাবেশের দাবিগুলো তুলে ধরেন তাঁরা। 

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্য বিভাগীয় পর্যায়ে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করছে। ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া কর্মসূচি ৮ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। 

ঢাকাগামী বাসের গোপন চেম্বার থেকে উদ্ধার ৯২ হাজার ইয়াবা

৯৯৯-এ যাত্রীর ফোনে অভিযান

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার
ঢাকাগামী বাসের গোপন চেম্বার থেকে উদ্ধার ৯২ হাজার ইয়াবা

কক্সবাজার থেকে ঢাকায় পাচারের উদ্দেশে যাত্রীবাহী একটি বাসে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা বহনের তথ্য আগে থেকেই পুলিশের কাছে ছিল। তবে কোন বাসে মাদকের চালানটি রয়েছে, তা নিশ্চিত ছিল না। এমন সময় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ এক যাত্রীর ফোনকল আসে। ওই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঢাকাগামী একটি বাসের গোপন চেম্বার থেকে ৯২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দিবাগত রাতে কক্সবাজার বাস টার্মিনালে কক্সবাজার সদর মডেল থানার একটি বিশেষ অভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে। এসময় বাসটির হেলপারকে আটক করা হলেও চালক পালিয়ে যান।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন, একটি ঢাকাগামী যাত্রীবাহী বাসে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা পাচারের চেষ্টা করা হবে। এ তথ্যের পর রাত ৮টা থেকে কক্সবাজার বাস টার্মিনাল এলাকায় বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে নজরদারি জোরদার করা হয়।

তিনি জানান, নজরদারির এক পর্যায়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ এক যাত্রীর ফোনকলের মাধ্যমে নির্দিষ্ট একটি বাসে ইয়াবা থাকার তথ্য পাওয়া যায়। এরপর পুলিশ দ্রুত সেন্ট মার্টিন ট্রাভেলসের ঢাকাগামী বাসে অভিযান চালায়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাসটির চালক নাজমুল (বাড়ি মাদারীপুর) কৌশলে পালিয়ে যান। তবে ঘটনাস্থল থেকে বাসটির হেলপার রাতুল ইসলামকে (বাড়ি সিলেট) আটক করা হয়।

আটক রাতুল ইসলামের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাসটির একটি সিটের নিচে বিশেষভাবে তৈরি গোপন চেম্বারে তল্লাশি চালিয়ে ৯২ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, উদ্ধার হওয়া ইয়াবা, জব্দ বাস ও আটক হেলপারকে থানায় নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এ চালানের সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ মাদক পাচারকারী চক্র জড়িত।

উদ্ধার ইয়াবার উৎস, গন্তব্য, অর্থদাতা, রিসিভার ও পলাতক চালক নাজমুলসহ চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত ও গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

এদিকে, একই দিনে কক্সবাজার সদর মডেল থানার পৃথক আরেকটি অভিযানে একটি মালবাহী পিকআপ থেকে আরো ৮ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে একদিনে সদর থানার দুটি অভিযানে মোট ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে। পৃথক এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে।

শ্রীবরদীতে নিখোঁজের ৪ দিন পর জলাশয় থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার | কালের কণ্ঠ