kalerkantho

শনিবার । ৯ মাঘ ১৪২৭। ২৩ জানুয়ারি ২০২১। ৯ জমাদিউস সানি ১৪৪২

পথে বসছেন উদ্যোক্তারা

লাইসেন্স জটিলতা, চালু হচ্ছে না দেশের প্রথম বেসরকারি ভেটেরিনারি ল্যাব

অনলাইন ডেস্ক   

২৬ নভেম্বর, ২০২০ ২১:৫৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লাইসেন্স জটিলতা, চালু হচ্ছে না দেশের প্রথম বেসরকারি ভেটেরিনারি ল্যাব

বাংলাদেশের মানুষের আমিষের চাহিদা মেটাতে এবং মৎস্য ও পশখাদ্যের মূল্য ও গুণগতমান নিয়ন্ত্রণে সরকার বদ্ধপরিকর। মৎস্য ও পশুখাদ্যের চাহিদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেলেও শুল্ক স্টেশনগুলোতে (আমদানি নীতি ও আদেশ ২০১৫-২০১৭ এর ১৭ অনুচ্ছেদ) এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তর কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশনামোতাবেক আমদানিকৃত মৎস্য ও পশুখাদ্যের গুণগত মান ও জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিমুক্ত কি-না তা নিশ্চিতকল্পে যে ৫টি বাধ্যতামূলক রাসায়নিক পরীক্ষা করতে হয় তার জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ল্যাব পোল্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিআরটিসি) চট্টগ্রাম সময়ের সঙ্গে তার সক্ষমতা তো বাড়ায়ইনি বরং দিন দিন তাদের সেবার মান কমে যাওয়ায় আমদানিকারকরা নানাভাবে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

আমদানিকারকদের কয়েকটি সংগঠনের দাবির প্রেক্ষিতে সরকার মৎস্য ও পশুখাদ্যের গুণগতমান যাচাইয়ের জন্য পিআরটিসির আদলে বেসরকারি খাতে একটি ল্যাব স্থাপনের জন্য অনুমতি প্রদানের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় এবং এ খাতে বিনিয়োগের জন্য উদ্যোক্তাদের উৎসাহ প্রদান করে।

সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফসল হিসেবে প্রতিষ্ঠা হয় 'মুসকাল' ল্যাব। ল্যাবটি শুধু দেশীয় মানে সীমাবদ্ধ না থেকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। সেবার মান বৃদ্ধি ও দ্রুততম সময়ে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে পাঁচজন সায়েন্টিস্টসহ প্রায় ৩০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। 

কিন্তু চালু হয়নি ল্যাবটি। একজন উদ্যোক্তা বলেন, গত ১ এপ্রিল, ২০১৯ থেকে প্রতিমাসে ফ্লোর ভাড়া ও অন্যান্য খরচ পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা। এ ছাড়াও ল্যাবটি বিশ্বমানের পর্যায়ে প্রতিষ্ঠা করার জন্য সাত-আট কোটি টাকা বিনিয়োগ করে উদ্যোক্তাগণ এখন একপ্রকার পথে বসতে চলেছেন।

তিনি আরো বলেন, মৎস্য ও পোল্ট্রিশিল্পের উন্নয়নে মৎস্য ও পশুখাদ্য আমদানিকারকদের পাশে দাঁড়াতে উদ্যোক্তারা তাদের সামর্থ্যের সবটুকু ঢেলে দিলেও শুধুমাত্র আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় লাইসেন্স প্রাপ্তিতে দেরি হওয়ায় ল্যাবসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, অফিস ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদি দিতে না পারায় সম্পূর্ণ অটোমেটেড এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে গড়া দেশের গর্বের এ প্রতিষ্ঠানটি আজ বন্ধ হতে বসেছে।

উদ্যোক্তাগণ এই বিষয়ে মন্ত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এবং দ্রুততম সময়ে ল্যাবটির লাইসেন্স প্রদানের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা