kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ মাঘ ১৪২৭। ২৮ জানুয়ারি ২০২১। ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪২

বামনায় করোনায়ও থেমে নেই স্কুল ফিডিং কার্যক্রম

বামনা (বরগুনা) প্রতিনিধি   

২৬ নভেম্বর, ২০২০ ১৯:৩৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বামনায় করোনায়ও থেমে নেই স্কুল ফিডিং কার্যক্রম

বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে গত মার্চ থেকে সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবুও চালু রয়েছে দারিদ্র পীড়িত এলাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ফিডিং কার্যক্রম। শিক্ষার্থীরা যাতে এই করোনা পরিস্থিতিতে পুষ্টি শুন্যতায় না ভোগে সে লক্ষ্যে বরগুনার বামনা উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে বাস্তবায়নকারী সংস্থার কর্মীরা পৌঁছে দিচ্ছে উচ্চ পুষ্টিগুণ সম্পন্ন বিস্কুট। বাড়িতে থেকেও বিস্কুট পেয়ে খুশি শিক্ষার্থীরা।

আজ বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) সকালে বরগুনার বামনা উপজেলার দক্ষিণ সফিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাড়িতে গিয়ে বিস্কুট পৌঁছে দেন বামনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিবেক সরকার।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা নির্মল চন্দ্র শীল, শহিদুল ইসলাম, বিদ্যালয়টির সভাপতি সাইফুল ইসলাম সরোয়ার, প্রধান শিক্ষক পিয়ারা বেগম। 

প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও বাস্তবায়নকারী সংস্থা সুশিলনের তথ্যানুযায়ী জানা গেছে, বর্তমানে উপজেলার ৬২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ২টি এবতেদায়ী মাদরাসাসহ মোট ৬৪টি বিদ্যালয়ে ৯ হাজার ৩৪ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে ৫৬ প্যাকেট করে মোট ৩৭.৯৫ মে.টন উচ্চ পুষ্টিগুণ সম্পন্ন বিস্কুট বিতরণ করা হচ্ছে। 

দক্ষিণ সফিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী আফরিন জাহান জানায়, করোনার কারণে স্কুল বন্ধ। তবে আমাদের ঘরে প্রতিমাসে বিস্কুট দিয়ে যায়। আমরা বিস্কুট পেয়ে খুব খুশি।

ওই বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আসিফ জানায়, স্কুল বন্ধ থাকলেও আমরা বিস্কুট পাই। পড়াশুনা ও খেলাধুলার শেষে ক্ষুধা লাগলে এক প্যাকেট বিস্কুট খেলে পেট ভরে যায়।

বাস্তবায়নকারী সংস্থা সুশিলনের বরগুনা জেলা মনিটরিং অফিসার মনিরুল ইসলাম বলেন, গত ২০১৩ সাল থেকে দরিদ্র পীড়িত এলাকা বিবেচনায় সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ডাব্লিউএফপির যৌথ উদ্যোগে বামনা উপজেলার ৬৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কার্যক্রম চালু হয়। প্রতিটি বিদ্যালয় সপ্তাহে ৫দিন দুপুরের খাবার ও একদিন উচ্চ পুষ্টিগুণ সম্পন্ন বিতরণ করা হয়। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে স্কুল বন্ধ থাকায় সরকার বাড়িতে বিস্কুট পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দান করায় সুশিলনের কর্মীরা বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকদের সহায়তায় তা পৌঁছে দিচ্ছেন।

বামনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিবেক সরকার বলেন, দরিদ্র পীড়িত এলাকা হিসাবে বামনা উপজেলায় এই কার্যক্রম চালু হওয়ায় সরকারের প্রতি সকলে কৃতজ্ঞ। এই করোনা পরিস্থিতিতেও সরকার প্রতিটি শিক্ষার্থীর বাড়ি পুষ্টিগুণ সম্পন্ন বিস্কুট পৌঁছে দিচ্ছেন এটা সরকারের সফল উদ্যোগ। বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলো সঠিক সময়ে বিস্কুটের প্যাকেট শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করায় তাদের ধন্যাবাদ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা