kalerkantho

মঙ্গলবার। ৫ মাঘ ১৪২৭। ১৯ জানুয়ারি ২০২১। ৫ জমাদিউস সানি ১৪৪২

একজন ধর্ষণের শিকার, একজন ধর্ষণচেষ্টার

পঞ্চগড় প্রতিনিধি   

২৫ নভেম্বর, ২০২০ ১৯:২১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



একজন ধর্ষণের শিকার, একজন ধর্ষণচেষ্টার

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নবম শ্রেণি পড়ুয়া দুই স্কুলছাত্রীকে বেড়াতে নিয়ে গিয়ে সারাদিন বেড়িয়ে রাতে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তাদের প্রেমিকদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ প্রেমিকদ্বয় ও তাদের এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের কাউরগছ এলাকার হাফিজ উদ্দিনের ছেলে ওমর ফারুক ইমন (২০), একই এলাকার দারাজ উদ্দিনের ছেলে আনোয়ার হোসেন (২৫) ও একই ইউনিয়নের বামনপাড়া এলাকার এনামুল হকের ছেলে সোহাগ (২২)।

মঙ্গলবার রাতে তেঁতুলিয়া উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নের নিজবাড়ি এলাকায় ধর্ষণের শিকার হন ওই দুই স্কুলছাত্রী। বুধবার বিকেলে ওই দুই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে তেঁতুলিয়া থানায় গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের নাম উল্লেখ করে ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টার দুটি মামলা করেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার সকালে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে ওই দুই স্কুলছাত্রীকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে বেড়াতে নিয়ে যান আনোয়ার হোসেন ও ওমর ফারুক ইমন। দিনের বেলায় তেঁতুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ঘোরার পর সোহাগ নামে এক যুবকের সহযোগিতায় রাতে দেবনগড় ইউনিয়নের নিজবাড়ি এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে যায় তারা। পরে এক স্কুলছাত্রীকে তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে তার প্রেমিক। এ সময় অপর স্কুলছাত্রীকে তার প্রেমিক ধর্ষণের চেষ্টা করলে সে চিৎকার করে। চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে ওই দুই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে। এ সময় তাদের প্রেমিকদ্বয় পালিয়ে যায়। পরে বিষয়টি তেঁতুলিয়া মডেল থানা পুলিশকে জানানো হয়। বুধবার সকালে পুলিশ দুই প্রেমিক ইমন ও আনোয়ার এবং তাদের সহযোগী সোহাগকে আটক করে। এদিকে ওই দুই স্কুলছাত্রীর বাবা তাদের বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টার পৃথক দুটি মামলা করেন। ওই মামলা আটক যুবকদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করে পুলিশ।

তেঁতুলিয়া মডেল থানার ওসি জহুরুল ইসলাম বলেন, দুই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্ত দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের এক সহযোগিকেও গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে থানায় দুটি মামলা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি-না তা আমরা খতিয়ে দেখছি। এ ছাড়া ওই দুই স্কুলছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা