kalerkantho

রবিবার। ৩ মাঘ ১৪২৭। ১৭ জানুয়ারি ২০২১। ৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২

বামনা হানাদারমুক্ত করার গল্প শোনালেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা

বামনা (বরগুনা) প্রতিনিধি   

২৪ নভেম্বর, ২০২০ ২১:৪৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বামনা হানাদারমুক্ত করার গল্প শোনালেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা

২৪ নভেম্বর বরগুনার বামনা উপজেলা পাক হানাদারমুক্ত দিবস উপলক্ষে কালের কণ্ঠ শুভসংঘ বামনা উপজেলা শাখার উদ্যোগে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্মরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। আজ বিকেল ৪টায় বামনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বামনা থানা মুক্তকরার বিভিন্ন অপারেশন এর বর্ণনা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

২৪ নভেম্বর বামনা থানা ভবনে দুটি গ্রেনেট নিক্ষেপ করা বীর মুক্তিযোদ্ধ আমির হোসেন খান যুদ্ধকালীন সময়ে স্মৃতিস্মরণ করে বলেন, আমি সাহেববাড়ী বাজারের আকন বাড়ির পিছন থেকে দুটি গ্রেনেটসহ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে থানা ভবনের দিকে এগিয়ে যাই। প্রথম গ্রেনেটটি নিক্ষেপ করলেও সেটি বিষ্ফোরিত হয়নি। পরে অন্য আর একটি নিক্ষেপ করলে সেটি বিষ্ফোরিত হয়। থানা অভ্যান্তরে যে সকল পুলিশ ও রাজাকাররা ছিলো তারা তখন ভয়ে পালিয়ে যায়। আমরা বিনা রক্তপাতে বামনা থানা মুক্ত করি।

ওই সময়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর্জা জহিরুল ইসলাম বলেন, নবম সেক্টরের সাব সেক্টর হেড কেয়ার্টার বরগুনার বামনা উপজেলার বুকাবুনিয়ায়। ভৌগলিক কারণে স্থানটি পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, বরগুনা, পিরোজপুর এই জেলাগুলোর মধ্যস্থানে অবস্থিত। সে কারণে এখানে মুক্তিযোদ্ধারা নির্ভয়ে জড়ো হতে থাকে। এই বুকাবুনিয়া থেকে দক্ষিণাঞ্চলের অনেক থানা মুক্ত করা হয়। এজন্যই এই বুকাবুনিয়া একটি মুক্তাঞ্চল ফলে মুক্তিযোদ্ধা তাদের নিজের থানাটি মুক্তকরার জন্য ২৪ নভেম্বর বামনা থানায় হামলা চালায় ও থানাটি শক্রু মুক্ত করি।

কালের কণ্ঠ শুভসংঘ বামনা শাখার সভাপতি রাজিব হাওলাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বামনা থানা মুক্তকরার  স্মৃতিস্মরণ করে বক্তব্য দেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুবেদার অব. মো. মোতালেব, আ. লতিফ মোল্লা, আ. শুকুর জমাদ্দার, মো. আলতাফ হোসেন, গোলাম কিবরিয়া ও কালের কণ্ঠ বামনা উপজেলা প্রতিনিধি মনোতোষ হাওলাদার প্রমূখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কালের কণ্ঠ শুভসংঘের বামনা উপজেলার সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাহিন আহসান রাহবার। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা