kalerkantho

শুক্রবার। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৪ ডিসেম্বর ২০২০। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪২

ছোট ভাইয়ের ৭ বছরের কারাদণ্ড

'ধর্ষণ করতে গিয়ে' ইমাম খুন, নারীর যাবজ্জীবন

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি   

২২ নভেম্বর, ২০২০ ১৪:৫৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'ধর্ষণ করতে গিয়ে' ইমাম খুন, নারীর যাবজ্জীবন

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে মসজিদের ইমাম খোকন মিয়া ওরফে মিজানুর রহমানকে হত্যা করে লাশ গুমের চেষ্টার মামলায় ময়না আক্তার (৩০) নামে এক নারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ মামলায় তাঁর ছোট ভাই মনির হোসেনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ময়নাকে দুই লাখ ও মনিরকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। কিশোরগঞ্জের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম আজ রবিবার আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন। 

মামলার বিবরণে বলা হয়, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বৌলাই পূর্বভরাটি গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে মিজানুর রহমান পেশায় ইমাম ছিলেন। তিনি জেলার কুলিয়ারচর উপজেলার উসমানপুর কোনাপাড়া গ্রামের সাবেদ আলী ও নূরচান মেম্বারের পারিবারিক মসজিদে ইমামতি ও মক্তবে শিক্ষকতা করতেন। ২০১৬ সালের ১৪ আগস্ট রাত সাড়ে ৩টার দিকে উসমানপুর এলাকায় বাজরা-চৌমুড়ি পাকা রাস্তার পাশ থেকে ইমাম মিজানুর রহমানের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পরদিন নিহতের বড় ভাই মো. নূরুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে কুলিয়ারচর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দণ্ডপ্রাপ্ত ময়না আক্তার ও তাঁর ছোট ভাই মনিরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আদালতে দাখিল করা অভিযোপত্রে বলা হয়, ঘটনার দিন গভীর রাতে ঘরে ঢুকে প্রবাসী নজরুল ইসলামের স্ত্রী ময়না আক্তারকে ধর্ষণের চেষ্টা চালান ইমাম মিজানুর রহমান। এ সময় ময়না লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও শ্বাস রোধ করে মিজানকে হত্যা করেন। পরে ময়নার ছোট ভাই মনিরের সহযোগিতায় লাশ প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে একটি পরিত্যক্ত জায়াগায় ফেলে রাখেন। স্থানীয়রা বস্তাভর্তি লাশ দেখে খবর দিলে পুলিশ সেই লাশ উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কুলিয়ারচর থানার এসআই কোহিনূর মিয়া আদালতে এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা