kalerkantho

মঙ্গলবার । ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৪ নভেম্বর ২০২০। ৮ রবিউস সানি ১৪৪২

৩ দাবিতে শেবাচিমের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

বরিশাল অফিস   

৩১ অক্টোবর, ২০২০ ১৭:২০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৩ দাবিতে শেবাচিমের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন তিনদফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করেছে। আজ শনিবার দুপুর দুইটা থেকে এই কর্মবিরতি শুরু করে তারা।

তাদের দাবিগুলো হচ্ছে- ডা. মাসুদ খান কর্তৃক দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা ও বিভিন্ন মাধ্যম কর্তৃক হয়রানি প্রত্যাহার, ডাঃ মাসুদ খান-এর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের সুষ্ঠু বিচার এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রচারকৃত অসত্যের জন্য মানহানির বিচার করা।

এর আগে পরিচালক বরাবরে ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি ডা. সজল পান্ডে এবং সাধারণ সম্পাদক ডা. তরিকুল ইসলামের স্বাক্ষরিতর স্মারকলিপি ও কর্মবিরতিপত্র প্রদান করা হয়।

হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সজল পান্ডে বলেন, মেডিসিন বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার মাসুদ খান ইন্টার্ন ডক্টরদের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক থেকে কমিশন নিয়ে থাকেন। পাশাপাশি সিনিয়র চিকিৎসকদের কক্ষে তালা দেওয়া, জুনিয়র চিকিৎসক, নারী চিকিৎসক এবং কর্মচারীদের সাথে খারাপ আচরণ করে থাকেন। এর প্রতিকার চেয়ে লিখিত আকারে হাসপাতাল পরিচালক বরাবর দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া হচ্ছে না। উল্টো ডা. মাসুদ খানকে মারধোর করা হয়েছে এমন মিথ্যা অভিযোগে এনে ইর্ন্টানি চিকিসকদের সংগঠন ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম উল্লেখ করে ৮-১০জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাই আমরা বাধ্য হয়ে আজ দুপুর দুইটা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করেছি।

এর আগে একই কারণে বৃহস্পতিবার মধ্য রাতে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই জরুরি বিভাগের গেটসহ সকল গেলে বন্ধ করে কর্মবিরতি পালন করেছিলো ইন্টার্নি চিকিৎসকরা।

হাসপাতাল পরিচালক ডা: বাকির হোসেন জানান, গত সপ্তাহে ডা. মাসুদ খান এবং ইন্টার্নি চিকিৎসক উভয় পক্ষ থেকে দুটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ দুইটি তদন্তের জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে থানায় গিয়ে ওসির সাথে কথা বলেছি। সমস্যা সমাধানের জন্য দুই পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসা হয়েছিলো। কিন্তু কোনো পক্ষ নিজ নিজ অবস্থান থেকে ছাড় দিতে রাজি না হওয়ায় সমঝোতা হয়নি। সমস্যা সমাধানে চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা